চোর-চোট্টারও কিছু
তরীকা আছে। যেমন চোর নাকি
নিজের বাড়ির আশেপাশে চুরি করে না। আবার চুরি করতে না-পারলে ওই
বাড়িতে বাথরুম সেরে আসে। তবেচোরদের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট হচ্ছে গরু চোর। একেবারেই ইজ্জত
নাই! জেলখানার কয়েদিরা গরুচোরকে দু-চোখে দেখতে পারে না। ওখানে নাকি গরুচোরের কাজ
হচ্ছে এর-ওর পা টেপা, শরীর বানিয়ে দেওয়া।
ইমরান হোসেন মামুন নামের চোস্ত কাপড়পরা এই
মানুষটাকে দেখে আমার বিগলিত হওয়ার কথা কিন্তু বেদনার সঙ্গে বলি, একে আমার গরু চোরেরও
অধম মনে হচ্ছে। এই মানুষটা আবার ফ্রান্সে থাকেন। এই মানুষটার আগ্রহসমূহ হচ্ছে, ‘সৎ পথে থাকা’। বেজায় পাজি এই লোকটা যে সৎ এটা অন্তত আমি স্বীকার যাই না। কারণ...।
মুক্তিযুদ্ধের ছবি
কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি না। কিন্তু এই মানুষটা আমার সাইট
থেকে দাঁড়ি, কমা, মন্তব্য সবই অবিকল ছাপিয়ে দিয়েছেন। আবার বুদ্ধি করে আমি যাদের ঋণ
স্বীকার করেছি তাদের নামও ছাঁটাই করে দিয়েছেন।
রাগে আমার গা জ্বলে
যাচ্ছে। একেকটা ছবি খুঁজতে দিনের-পর-দিন গেছে, রাতের-পর-রাত জেগে কাজগুলো করেছি আর
এই ব্যাটা পাজি, নচ্ছার,
গরুচোরেরও অধম এক নিমিষেই সব
নিজের বলে চালিয়ে দিলেন। ইচ্ছা করছে একে আট-দশটা গান্ধিপোকা বেটে খাইয়ে দিতে পারলে খানিকটা আরাম পাওয়া যেত...!
No comments:
Post a Comment
আপনার যে কোন মত জানাতে পারেন নিঃসঙ্কোচে, আপনি প্রাসঙ্গিক মনে করলে।