Friday, September 11, 2026

একজন ইয়াসির আরাফাত এবং তাঁর ভবিষ্যৎবাণী!


১৯৭৮ সালে ইয়াদির আরাফাত যা বলে গিয়েছিলেন ২০২৬ সালেও তা অবিকল!


Thursday, September 10, 2026

জ্বালা-জ্বালা, সেকাল-একাল!

সেকাল:

'জ্বালা' নিয়ে বলছেন ওবাইদুল কাদের। অনেকটা রসিকতাচ্ছলে!

একাল:
বর্তমান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন করায় তিনিও 'জ্বালা' নিয়ে বলছেন। রেগে গিয়ে!

Tuesday, September 8, 2026

জেনা-বলাৎকার, পার্থক্য কি?

জেনা-বলাৎকারে পার্থক্য আছে—জেনার চেয়ে বলাৎকার শত হাজার গুণ ভয়াবহ! একটা শিশুর মনোজগৎ পুরোপুরি এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে—মৃত্যুর আগ-পর্যন্ত সে এই ট্রমা থেকে বের হতে পারবে না!

জেনার বিষয়ে সরব, বলাৎকারের বিষয়ে নীরব, কারণ কি হে মোল্লা? আমাদের দেশের মোল্লারা বলাৎকারের বিষয়ে বড় আলাভোলা [] অবস্থান নিয়েছেন। 

মাদ্রাসায়-মাদ্রাসায় যেন মহোৎসব চলছে বলাৎকারের। রোজার মাসে, ভিকটিমকে কোরানের দোহাই দিয়ে থেমে নেই বলাৎকার—বড় শিক্ষার্থী করছে ছোট শিক্ষার্থীকে, শিক্ষক করছে ছাত্রকে। 

আমার নিজস্ব মত হচ্ছে, মাদ্রাসা-বিদ্বেষে এ নিয়ে উল্লসিত হওয়ার পূর্বে বিভিন্ন আঙ্গিকে এই বিষয়ে কয়েকটা পিএইচডি করা প্রয়োজন। ধর্মের দোহাই দিয়ে কেমন করে এটা সম্ভব? এই ভয়ংকর অপরাধ নিয়ে কোরবানির  পশু জবাইয়ের মত উল্লাস করার কারণটা কী! এরা এটাকে সওয়াবের কাজ ভাবছে না তো আবার!

খুব অল্পই সংবাদমাধ্যমে আসছে তদুপরি খুব একটা বিকার নাই আমাদের! বিকার নেই আমাদের সুশীল সমাজেরও! কারণ মাদ্রাসার বাচ্চাগুলো গরীব ঘরের। আগা খান স্কুলের মাসে লাখ টাকা ফি-দেওয়া বাচ্চা না এরা!

কেবল একটা ঘটনা এর ভয়াবহতা বুঝতে খানিকটা সহজ হবে।

কী ভয়ংকর-কী ভয়াবহ!

আপনি কল্পনা করতে পারেন, যে ৬ জন সিনিয়র ছাত্র-শিক্ষক মিলে এই বাচ্চা ছেলেটাকে দিনের-পর-দিন চরম নির্যাতন করেছে।
৫ জনকে ধরা হয়েছে—এদের মধ্যে এরা ২জন!
আপনি জাস্ট চোখ বন্ধ করে একটু কল্পনা করুন এই দৃশ্যটা দেখে, এদেরকে দেখে! ছোট্ট একটা বাচ্চা, দিনের-পর-দিন, মাসের-পর-মাস! অন্য ভুবনের কষ্ট ভোগ করছে এদের দ্বারা!

একটা মাদ্রাসা খুলতে কোন অনুমোদন দূরের কথা কাউকে জিজ্ঞেস করা লাগে না, কোন জবাবদিহি করতে হয় না। মসজিদকে যেমন আল্লাহর ঘর বলা হয় তেমনি মাদ্রাসাকেও কাছাকাছি সম্মান দেওয়া হয়। মাদ্রাসার রমরমা ব্যবসার উত্থানের পেছনে আমাদের দেশের মোল্লাদের ওয়াজ অনেকখানি অবদান রাখে। ওয়াজের নামে গা দুলিয়ে-দুলিয়ে এরা বকে যান, বাচ্চাকে মাদ্রাসায় দেন কয়েক পুরুষ বেহেশতে চলে যান, ডাইরেক্ট! ইন্টারেস্টিং পার্ট হচ্ছে, ওয়াজের এই রমরমা ব্যবসা কেবল আমাদের দেশেই দেখবেন।

এদিকে আমাদের মোল্লা সাহেবরা আবার ওয়াজে স্বাভাবিক ভঙ্গিতে কথা বলতে পারেন না! এই চিল্লানোর অভ্যাসটা এরা কোত্থেকে রপ্ত করেছেন কে জানে! কোন সুস্থ মানুষ এভাবে চিৎকার করে কথা বলতে পারে এদের না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন! আর কী বিচিত্রসব ওয়াজ []!

আহা, যায় যদি যাক গলা, থাকুক তবুও প্রাণ!

ওয়াজ নামের জিনিসটা কেবল আমাদের দেশেই সম্ভব অন্য-কোন দেশে এর নামগন্ধও নেই। মোল্লারা শিক্ষাকতা করে জীবনযাপন করতে পারেন—খেজুর বেচতে পারেন, মুড়ি বেচতে পারেন; কিন্তু না, টাকা ছাড়া ওয়াজের নামে মুখ দিয়ে একটা শব্দও বের হয় না। হেলিকপ্টার না-হলে যে এদের আবার চলেই না!

মাদ্রাসা উত্থানের পেছনে একটু শেকড়ে যেতে হবে। গ্রামের লোকজনকে বিভিন্ন কারণে শহরে নিয়ে এসেছেন। কৃষককে বানিয়েছেন সিএনজি চালক, গার্মেন্টস কর্মী! বাসা যখন ফাঁকা থাকে ইশকুলে এবং ইশকুল থেকে ফিরলে বাচ্চাটাকে পাহারা দেবে কে, সামলাবে কে, খোঁজ রাখবে কে? আবাসিক মাদ্রাসায় দিয়ে দিলে একেবারে নিশ্চিত। অন্তত শাসন-অনুশাসনের ভেতর থাকবে! 
আরেক দল আছে, নিজে গা ভাসিয়ে চলবে, বউ মার্কেটে-মার্কেটে দরদাম করে বেড়াবে আর শিশুটাকে মাদ্রাসায় দিয়ে দেবে আল্লাহর ওয়াস্তে...!

রাত ৩টায় মাসুম বাচ্চাগুলোকে উঠিয়ে দেবে:

মামুনুল হকের মত [] মোল্লা সাহেবরা শরিয়া আইন খুব করে চাচ্ছেন।
বেশ, তবে তাই হোক। 'রজম'! আগে বলাৎকারীদের দিয়ে শুরু হোক। পাথর ছুড়ে না, পাথরে এদের ছুড়ে শাস্তি কার্যকর করা হোক।

সূত্র:
২. বিচিত্রসব ওয়াজhttps://www.ali-mahmed.com/2019/04/blog-post.html?m=1




Friday, September 4, 2026

রাজা, তুই ল্যাংটা!

মুখের উপর সটান দাঁড়িয়ে বললে,  ম্যাটার করে! এই যেমন, বিল গেটস! বিলিয়ন-বিলিয়ন টাকা থাকার পরও লোকজন তাকে 'বাচ্চাদের মাংসখেকো' ডাকছে।

আবার যখন প্রশ্ন করছে, এপস্টিন ফাইল বিষয়ে তখন তার হাসিটা ছিল 'অমায়িক চো...'!


দুবাই রুলার শেখ মোহাম্মদ বিন রাসিদ আল মাকতুম মুখোমুখি হন সত্যের:

প্রিন্স চার্লসকে যখন মুখের উপর বলা হয়, 'বু-উ-উ, নট মাই কিং', তখন হজম করা কঠিন হয়ে পড়ে বৈকি:

ইসরাইলি এম্বেসেডরকে দেখে মনে হচ্ছিল এখান থেকে অদৃশ্য হয়ে যেতে পারলে অনেকখানি আরাম পেতেন।










Wednesday, September 2, 2026

শুক্রবার, রাত ৯:৩০ মিনিট।

লেখক: Nasima Islam jhotey

"রেডিসন ব্লু হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুম। এক মন্ত্রীর মেয়ের বিয়ে চলছে। আমি এই বিয়ের অতিথি নই। আমার খালাতো ভাই, আ' মিন ওর ক্যাটারিং কোম্পানি আমাকে স্পেশাল কনসালট্যান্ট হিসেবে ভাড়া করেছে। বলরুমের ঠিক মাঝখানে রাখা ১২০ পাউন্ড ওজনের বিশাল 'বরফের রাজহাঁস'-এর থার্মোডাইনামিক স্ট্যাবিলিটি মেইনটেইন করার জন্য।

বলরুমের এসির টেম্পারেচার ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখার কথা ছিল। ভিড়ের কারণে সেটা ২৪ ডিগ্রিতে উঠে গেছে। এর ফলে রাজহাঁসের ডান দিকের ডানাটা প্রতি মিনিটে ১.২ মিলিলিটার হারে গলতে শুরু করেছে।আমি একটা 'ডিজিটাল ক্যালিপার' দিয়ে বরফের পুরুত্ব মাপছিলাম।

হঠাৎ বলরুমের মেইন দরজা ভেঙে চারজন ভারী অস্ত্রধারী লোক ভেতরে ঢুকল। তাদের মুখে কালো রঙের মোটা উলের স্কি-মাস্ক। তারা সোজা ভিড়ের মাঝখান দিয়ে এসে বর এবং কনেকে জিম্মি করে ফেলল।

'কনের গলার ১০ কোটি টাকার ডায়মন্ডের নেকলেসটা এখনই খোল! কেউ নড়লে বরের মগজ ফ্লোরে নামায়ে দেব'!

লিডার লোকটা তার শটগানের ব্যারেলটা বরের মাথার সাথে চেপে ধরল।

​পুরো বলরুমে হাজার খানেক মানুষের মধ্যে পিনপতন নীরবতা। কনে কাঁপতে-কাঁপতে তার গলার নেকলেস খুলতে শুরু করেছে।

আগের যেকোনো সময় হলে আমি হয়তো এই ডাকাতদের ফিজিক্সের কোনো সূত্র বুঝিয়ে তাদের ব্রেইন রিল্যাক্স করার চেষ্টা করতাম। কিন্তু আজ আমার হাতে কথা বলার মতো সময় নেই। রাজহাঁসের ডানাটা যে-কোনো মুহূর্তে স্ট্রাকচারাল ইন্টিগ্রিটি হারিয়ে ভেঙে পড়বে। আমার ইমার্জেন্সি একটা 'থার্মাল ইনসুলেটর', আ' মিন তাপ নিরোধক দরকার।

আমি দেখলাম, লিডার লোকটার মাথায় যে স্কি-মাস্কটা পরা, সেটা ১০০% পিওর উল-এর তৈরি। উলের ফাইবার বাতাসের পকেট ধরে রাখে, যা তাপ চলাচলে চরম বাধা দেয়।

আমি অত্যন্ত শান্ত পায়ে হেঁটে লিডারের ঠিক পেছনে গিয়ে দাঁড়ালাম। আমি জাস্ট আমার ডান হাতটা বাড়িয়ে, বরের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে রাখা ওই দুর্ধর্ষ ডাকাতের মাথা থেকে তার কালো উলের মাস্কটা এক টানে খুলে নিলাম! লিডার ডাকাতটা আক্ষরিক অর্থেই ব্ল্যাঙ্ক হয়ে গেল।

তার আসল চেহারা হাজার-হাজার মানুষের সামনে, এবং বলরুমে চলতে থাকা ডজন খানেক ভিডিও ক্যামেরায় উন্মুক্ত হয়ে গেছে!

'আরে! আমার মুখ! আমার মুখ দেখা যাইতেছে'!

লিডার লোকটা বন্দুকের কথা ভুলে গিয়ে দুই হাত দিয়ে নিজের মুখ ঢাকার জন্য পাগলের মতো চিৎকার করে উঠল। তার সাঙ্গোপাঙ্গরাও লিডারের চেহারা ফাঁস হয়ে গেছে দেখে চরম প্যানিক করে ফেলল।তারা ডায়মন্ডের নেকলেসের তোয়াক্কা না-করে, লিডারকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে বলরুমের পেছনের ইমার্জেন্সি এক্সিট দিয়ে পাগলের মতো দৌড়ে পালিয়ে গেল।

পুরো বলরুমে এক সেকেন্ডের স্তব্ধতা। তারপরই বরের বাবা, কনের বাবা এবং মন্ত্রীর সিকিউরিটি গার্ডরা উল্লাসে ফেটে পড়ল। আমি তাদের দিকে ফিরেও তাকালাম না। অকেজো সিকিউরিটি গার্ড।

আমি ডাকাতের মাথা থেকে খোলা ওই ঘামে ভেজা মাস্কটা নিয়ে দ্রুতগতিতে বরফের রাজহাঁসের ডানার ওপর পরিয়ে দিচ্ছিলাম, যাতে এসির গরম বাতাস বরফটাকে আর গলাতে না পারে।

বর দৌড়ে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। কনে ডুকরে কেঁদে উঠলেন।

'ভাই! আপনি জাস্ট একটা মাস্ক টান দিয়ে ওদের যে সাইকোলজিক্যাল ধস নামিয়েছেন! আপনি আজ আমার জীবন আর আমার স্ত্রীর সম্মান দুটোই বাঁচালেন! আপনি ফেরেশতা'! 

বরের চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পড়ছে।

আমি মাস্কটা বরফের ডানায় পেঁচিয়ে সেট করে অত্যন্ত বিরক্তি নিয়ে বরের দিকে ঘুরলাম।

'আপনার ইমোশনাল স্টেটমেন্টগুলো সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক এবং আপনি আমার কাজের চরম ক্ষতি করছেন'।

আমি কাঁধ থেকে তার হাতটা সরিয়ে দিয়ে কড়া গলায় ধমক দিলাম।

'আমি উনার মাস্ক খুলেছি কারণ উলের ইনসুলেশন আমার বরফটাকে গলা থেকে বাঁচাত। কিন্তু আপনাদের এই ফালতু ডাকাতির টেনশনে ডাকাতের মাথা ঘেমে একাকার হয়ে ছিল। ওর মাথার ঘামে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম ক্লোরাইড, আ' মিন লবণ আছে'!

আমি বরের চোখের সামনে বরফের ডানাটা দেখালাম।

'ফিজিক্সের ভাষায় একে বলে 'ফ্রিজিং পয়েন্ট ডিপ্রেশন'! বরফের গায়ে লবণ লাগলে তার গলনাঙ্ক কমে যায় এবং বরফ স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ স্পিডে গলতে শুরু করে! ওই জঘন্য লোকটার মাথার ঘামের কারণে আমার রাজহাঁসের ডানাটা এখন তাপের হাত থেকে বাঁচলেও, লবণের কারণে গলে পানি হয়ে যাচ্ছে'!

বর হতভম্ব হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। মন্ত্রীর সিকিউরিটি গার্ডরাও হাঁ করে আমার ধমক শুনছে। আমি বরের কলার চেপে ধরলাম।

'আপনি এখানে দাঁড়িয়ে আমাকে ফেরেশতা ডাকছেন কেন? এখনই আপনার শ্বশুরের সিকিউরিটি গার্ডদের নিয়ে ওই এক্সিট দরজা দিয়ে দৌড়ান! ডাকাতটাকে ধরুন'! 

বরের গায়ের শার্টটা ১০০% কটনের তৈরি, যেটা থার্মাল ইনসুলেশন দেয় কিন্তু ঘাম শোষণ করে!

'দাঁড়ান-দাঁড়ান, আমার এখনই একটা ড্রাই কটন ফেব্রিক লাগবে! যান, শার্টটা খুলে নিয়ে আসুন'!"

লেখক: Nasima Islam jhotey (https://www.facebook.com/share/1CLJUNSy4z/)

পদার্থ-অপদার্থ, ডান-বাম!

আপনি ডান, বাম চিনবেন কিভাবে? সহজ! ডান দিকের উল্টোটাই বাম। পদার্থ, অপদার্থ ওভাবেই বের করে ফেলবেন।

এমনিতে আমাদের ধর্মীয় শিক্ষকরা জানেন না এমন কোন বিষয় নাই! 

শায়েখ আবদুর রাজ্জাক নরেন্দ্র মোদির মত দাবী করছেন তার জন্ম মানুষের গর্ভে না [] এমনটা শুনিনি! একজন নারী, মা'র পেট থেকে জন্ম নেওয়া এই মানুষটা নারীকে, নারীজাতিকে নিয়ে যে মন্তব্য করেন তা একজন সুস্থ মানুষ ভাষায় প্রকাশ করতে পারবেন না:


বিভিন্ন ধর্মীয় শিক্ষকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের সময় তিনি উঠে দাঁড়াননি! কেবল তাই না তিনি রসিয়ে-রসিয়ে অন্যদের বিষয়েও বলছেন—তাঁরা দাঁড়িয়ে কেমন করে রসাতলে যাবেন। বেশ, তাও না-হয় মেনে নিলাম।


ধরে নিলাম, কাউকে দেখে দাঁড়ালে পাপ হবে।
আচ্ছা, প্রধানমন্ত্রী বাদ দেন! একজন মানুষ অন্য একজন মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছে ভঙ্গিটা দেখেন। একজন মানুষ দাঁড়িয়ে আর আপনি বসে, পারলে শুয়ে পড়েন—দৃশ্যটা কল্পনা করতেও তো কল্পনা লাগে!
এখানে বাস্তবে আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ বসে আছেন। কেবল বসে আছেন এমন না একটা মানুষ দাঁড়িয়ে আর তিনি বসে-বসে কুশল বিনিময়টা সারছেন। তমিজের সঙ্গে বলি, কেন? আপনি কি হাঁটতে পারেন না নাকি পেছনটা উঠাতে তকলিফ হচ্ছে!
আচ্ছা-আচ্ছা, ধরে নিলাম, আপনি খুঁজে-খুঁজে বের করেছেন ধর্মে নিষেধ আছে! আপনি একজন বি-রা-ট মা-ও-লা-না! আপনি যে একজন বড় নিষ্পাপ মানুষ, গো। অথচ দেখুন, এই আপনিই কিন্তু এই ভিডিও ক্লিপটার ৫০ সেকেন্ড থেকে বলছেন:
"...আপনি আমাকে অপমান করে বিদায় করে দিলেন, টাকা-পয়সা দিলেন না। দিলেন না তো দিলেন না! আমি চলে যাব। কতদিন প্রোগ্রাম করেছি, এক পয়সা দেয়নি। পরীক্ষা করে দেখেছি।

আপনি তো খুব জাঁক করে বলছেন, আপনি পরীক্ষা করেছেন, টাকা-পয়সা না-দিলে নিজ থেকে আর চাচ্ছেন না। মানে কী! প্রোগ্রাম, আ মিন, ওয়াজ? আহা, ওয়াজ করে তাহলে আপনি টাকা-পয়সা নেন! অই মা, তা বুঝলুম, আপনি মহান—না দিলে চান না কিন্তু ওয়াজ করে টাকা-পয়সা নেন তো। বাহ! তা ধর্মে কোথায় বলা আছে আপনারা ওয়াজ করে, আমাদেরকে নসিহত করে পয়সা কামাবেন! তাহলে আপনাদের মধ্যে আর ড্রাগ ডিলারের মধ্যে পার্থক্য কী!

আপনি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন, মুড়ি বেচেন, হালুয়া বানান কোন সমস্যা তো নাই কিন্তু ওয়াজ করে টাকা-পয়সা নেবেন আবার আমাদেরকে দমে-দমে নসিহত করবেন! 

...

অপদার্থ চিনবেন কীভাবে? সেটা ভারী পদার্থ হলেও? দেখার বিষয় ইয়ে কতটা জড়াজড়ি হয়ে আছে!

এই যেমন ধরুন, স্যার, মহিউদ্দিন মোহাম্মদ! ধরুন, তিনি সক্রেটিসের ভাতিজা লাগেন। বা ধরুন, তিনি 'দোরা কাউয়ার লুক' ব্রাত্য রাইসুর চেয়েও বড় চিন্তক []! অথবা ধরুন, স্যার, নোয়াম চমস্কির 'চামচাতো ভাই'। এবার এই ধরাধরি বাদ দিয়ে বলি, যে মানুষটা নিজেই নিজেকে বলছে, দার্শনিক, বুদ্ধিজীবী সেই মানুষটা যে ইয়েলো-মেটার এবং গ্রে-মেটারে মাখামাখি হয়ে থাকা একটা...!

সূত্র:
১. একজন ধর্মীয় শিক্ষক শেখান...: https://www.ali-mahmed.com/2026/03/blog-post_11.html?m=1
২. পক্ষী বিশেষজ্ঞ ব্রা ত্য রাইসু: https://www.ali-mahmed.com/2026/07/blog-post_11.html?m=1