My Blog List

  • আলোর সঙ্গে... - ডা. রুমি আলম যে হুইলচেয়ারটা দিয়েছিলেন [১] এটা যে এমন কাজে লাগবে তা আমাদের আগাম জানা ছিল না। কোর্টের সামনে এমরান নামের এই মানুষটাকে উকালতির সূত্রে ফি রোজ নি...

Monday, February 9, 2009

পার্থক্য কী!

প্রায় একই দৃশ্য।
আনুমানিক ২৫/৩০ বছর আগে, বালকগুলোর বদলে ছিলাম আমি। পার্থক্য কেবল একটা প্লাস্টিকের হাত-ঘড়ির, যা আমাদের সময় ভাবাও যেত না।
 

*ছবিস্বত্ব: সংরক্ষিত

হুড়হুড়ি এবং শ্বাস নেয়া

আমার এখানে কখনও কখনও নাগরিক লোকজনরা আসলে আগে অবাক হতাম, এখন আর হই না। আসলে এরা , আসেন গ্রাম টাইপের কিছু একটা দেখতে। তাদের ভাষায় শ্বাস ফেলতে। ঘুরিয়ে দেখাবার জন্যও তো কাউকে চাই।

যাই হোক, এমন লোকজনের সাখে ঘুরছি। এই ফুল দেখে আমি যারপর নাই মুগ্ধ- কী অনাদরেই না রাস্তার পাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে।
আগে উচ্ছ্বসিত হতাম, এখন দেখার সেই চোখ কই! হায় ধুলোপড়া চোখ, অসময়ের শ্বাসই ফেলতে পারিনা- এ কষ্ট কাকে বলি, কারই বা শোনার সময়!
যাগ গে, ফটাফট ছবি তোলা। প্রথমে ভেবেছিলাম এটা জংলি ফুল।
অধ্যাপক দ্বিজেন শর্মার মতে, এটার নাম 'হুড়হুড়ি' (cleome spinosa)
(
'হুড়হুড়ি' হুড়মুড় করে এদেশে প্লেনে না ঘোড়ায় চড়ে এসেছে তা জানা যায়নি কিন্তু এসেছে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে। খানদানি বংশ! দায়ে পড়ে রিকশা চালায় অনেকটা এমন- কার সংগে যেন বড় মিল!)

*
ছবিস্বত্ব: সংরক্ষিত