Tuesday, December 9, 2014

গুন্ডামি!

ছবি সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো
কাল (৮ ডিসেম্বর ২০১৪) প্রথম আলোর প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপা হয়েছে শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত ) হাবিল হোসেন বিক্ষোভরত এক ছাত্রীকে পেছন থেকে লাথি মেরে ফেলে দিয়েছেন।

এমন কিছু দৃশ্য পূর্বে যে দেখিনি এমন না কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কনস্টেবল টাইপের লোকজনকেই দেখতাম। অল্প শিক্ষিত ওই সমস্ত লোকজনের শিক্ষায় বিস্তর গলদ থাকে কেবল এই-ই না এদের আরও অনেক সমস্যাও আছে। আমি এদের দোষ কাটাবার চেষ্টা করছি না- কনস্টেবলদের অনেককে ১৮ ঘন্টা ডিউটিও করতে হয় তারপর অনেকে ঘুমাবার জায়গা নিয়েও সমস্যায় ভোগেন। একজন ঘুম থেকে উঠলে সেই জায়গা খালি হলে অন্যজন ঘুমাবে। তো, মেজাজ থাকে টং- ব্যস, সুযোগ পেলাম সমস্ত ক্ষোভ উগরে দিলাম।

কিন্তু আমাদের এই অফিসার সাহেবকে দেখে তো মনে হচ্ছে অভিজাত টাইপের একজন মানুষ! এমন একজন মানুষ গুন্ডামি-মাস্তানি করবেন এটা তার পেশা, চেহারার সঙ্গে মোটেও মিশ খায় না। আমি কেবল চোখ বন্ধ করে কল্পনা করার চেষ্টা করে শিউরে উঠি; শত-শত মানুষ, অসংখ্য মিডিয়ার সামনে দিনের বেলায় যদি পুলিশ এমন আচরণ করতে পারে তাহলে লোকচক্ষুর অন্তরালে, রাতের অন্ধকারে পুলিশ কী না করতে পারে! 

ওয়েল, এমন এটা অসভ্য আচরণ করার পরও এই মানুষটাকে চাকুরিচ্যুত করে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে সমস্যা কোথায়? হুমম, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেতনভুক্ত কর্মচারি হলে সমস্যা নেই কিন্তু দলীয় লোক হলে সমস্যা আছে।
ছবি সূত্র: দৈনিক কালের কন্ঠ
যেমনটা আমরা দেখেছি, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি এ কে এম নাসির উল্লাহ-এর বেলায়। তিনি পোশাক পরেছেন বাংলাদেশ সরকারের কিন্তু শ্লোগান দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের।