Sunday, February 16, 2014

পোষ-আপোষ, আপোষহীন!

পূর্বে একটা লেখা দিয়েছিলাম, ফোর-হুইল, থ্রি-হুইল, টু-হুইল যেটায় আপনার ভাল লাগে, তবুও যান মাদাম, দোহাই লাগে তবুও যান।" কিন্তু আপোষহীন নেত্রী যাননি!

ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি যখন এসেছিলেন তখন খালেদা জিয়া হরতালের অজুহাতে দেখা করেননি। সেদিন জামাতের হরতাল চলছিল। এখন এই দেশের একটা শিশুও জানে বিএনপির ছেনেহের হাত না-থাকলে জামাতের পক্ষে হরতাল দেওয়া বা পালন করা সম্ভব না। খালেদা জিয়া এক ইশারাতেই সেদিনকার হরতাল বাতিল করা সম্ভব ছিল। অথচ তিনি তা করেননি। এবং এই অজুহাতে ভারতের রাষ্টপতির সঙ্গে দেখা করেননি।
অথচ এমনতরো সাক্ষাৎকার বহু পূর্বেই স্থির হয়ে থাকে।

সফরকালে জামাইবাবু প্রণব ছিলেন ফুরফুরে মেজাজে। কিন্তু জামাইবাবু বলে তাঁকে খাটো করে দেখার কোনো অবকাশ ছিল না। এটা যে অসম্ভব বাজে রকমের একটা শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ এবং ভয়ংকর পদক্ষেপ এটা জানার জন্য দুঁদে রাজনীতিবিদ হওয়া লাগে না। ভারত যে এই প্রচন্ড অপমান বিস্মৃত হবে এটা ভাবারও কোনো অবকাশ ছিল না। যথাসময়ে যে এরা এর শোধ নেবে এতো আর বিচিত্র কিছু না।

এবারের নির্বাচনে বিএনপি ভারতকে উপেক্ষা করে পশ্চিমা দেশগুলোর  উপর ভরসা করেছিল কিন্তু এরা ভুলে গিয়েছিল এখন ভারত হচ্ছে সেই উটকো প্রতিবেশির মত যার এখন দবদবার শেষ নাই। অন্যের সামনের দরোজা পেছনের দরোজা সবই যার চেনা। ইচ্ছা করলেই যারা সীমান্তে পাখির মত গুলি করে এদেশের লোকজনকে মেরে ফেলতে পারে। বিএনপি এটাও ভুলে গিয়েছিল সবই বিজিনেস, নাথিং এলস। সবাই বোঝে ব্যবসা। কোন দল ক্ষমতায় এটা এদের কাছে মূখ্য না।

খালেদা জিয়া সবই বুঝলেন কিন্তু বড় দেরিতে। নো-হুইল, যখন তার গাড়ির কোনো হুইলই আর অবশিষ্ট নাই! এখন আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মার্চে ভারত সফরে যেতে। পোষ মানাতে চাইছেন আপোষহীন মনোভাবকে।