Wednesday, July 24, 2013

দুপেয়ে ছাগ-মানবের পা বনাম লুটেরার ছা!

লুটেরা একটি দেশ, বৃটেন। যে দেশটি এই গ্রহের কোথাও বাদ রাখেনি লুটতরাজ করতে। এখনও এদের জাদুঘরগুলো ভরে আছে লুটের মালে। রাজমুকুটে যখন লুটের অলংকার, কোহিনুর হীরা শোভা পায় তখন নির্লজ্জ বেশ্যাও লজ্জায় মরে যায়।
লুটেরার এক তাঁবেদার ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এক সফরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, '...১০৫ ক্যারেট ওজনের কোহিনুর হীরাটি ফেরত দেওয়া হবে না'।

যে দেশের পাঁচজনের একজন নিরক্ষর, যারা ওষুধের গায়ে লেখা নির্দেশনাও পড়তে পারে না, এমনকি চেকবইয়ের অংকও। এরা নাকি আমাদেরকে কেতাদুরস্ত হওয়া শেখাবে!
সেই দেশের এক মহিলা একটি জিনিস প্রসব করেছেন। এই নিয়ে দুপেয়ে ছাগ-মানবদের উত্তেজনায় বাথরুম পর্যন্ত আটকে গেছে। এই ছাগ-মানবদের সবই আছে কেবল দুইটা পায়ের অভাব- এই কারণে ছাগলাদ্যঘৃত খান নিয়মিত!

'দ্য সান' পত্রিকা তাদের মাষ্টহেড বদলে 'দ্য সন (son)' করে দিয়েছে। আমাদের নির্বোধ পত্রিকাগুলো পিছিয়ে থাকবে কেন? তারাও প্রথম পৃষ্ঠায় ঘটা করে এই সব ছাপিয়েছে! প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন বলেন, এটা 'বিস্ময়কর খবর'। 'বিস্ময়কর খবর' কেন কে জানে! ক্যাটের জায়গায় কী উইলিয়াম এই কর্ম করেছেন!
আর আমরাই বা পিছেয়ে থাকব বুঝি! আমরা এমন লেখাও দিয়েছি, 'হে আল্লাহ, তুমি আমাদের নতুন রাজাকে হায়াত দাও। আমিন'।

কেন নয়? আমরা কেমন করে আমাদের প্রভুকে ভুলে যাব! আমরা কেমন করে ভুলে যাব আমাদের বাপ-দাদারা উবু হয়ে থাকত। সাহেব-মেম তাদের পিঠে পা রেখে ঘোড়ায় চড়ত। এই স্মৃতি কী ভোলা যায়? আমাদের রক্তে খেলা করে যে। আমাদের ডিঅক্সিরিবোনিউক্লিক এসিডে এমন মিশে গেছে যে জেনেটিক কোডের প্যাঁচানো সিড়ি বেয়ে এই স্মৃতি তরতর করে উঠানামা করে।

আহ, কেমন করে ভুলি আমরা...!

মুক্তিযোদ্ধা (!), একজন কবি আল মাহমুদ!

দৈনিক সমকালের (৫ জুলাই, ২০১৩)সঙ্গে আল মাহমুদ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, "...'বাংলাদেশের সূচনা পর্বের যে বড় দুটি ঘটনা, ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধ সেখানেও আমার কিছু অবদান আছে। অমরত্ব লাভের আশায় তো করিনি কিছু। কিন্তু এভাবেও তো কিছু সময় মরেও অমর হওয়া যায়'।...

স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নিয়েও রয়েছে অনেক প্রশ্ন। এই বিষয়ে জানতে চাইলে রাগের সঙ্গে তিনি বললেন- আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি- আমি রাজনৈতিক নই। আমি একজন কবি। লিখে যাওয়াই আমার কাজ।...।"

তিনি বলছেন, আমি রাজনৈতিক নই। বেশ! কিন্তু জামাতে ইসলামী নামের একটা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তাঁর তীব্র কাছাকাছি-মাখামাখি আমরা দেখেছি। তারা তাঁকে মুক্তিযুদ্ধের সনদ দেয়। সেই সনদ তিনি শিউলি ফুলের মত বুকে তুলে নেন।
জামায়েতে ইসলামীর জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ আল মাহমুদকে সম্মাননা দেয়ার সময় আল মাহমুদ বলেন, "'এ সম্মাননা গ্রহণকে নিজের জন্য ন্যায়সংগত ভেবেছি'। তিনি আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, 'এ সংবর্ধনা ইতিহাসের অনিবার্য'।" (প্রথম আলো ২৮ ডিসেম্বর, ২০০৯)

ডিয়ার আল মাহমুদ, আপনার অনেক বয়স হয়েছে। বয়স্ক একজন মানুষকে নগ্নগাত্র দেখতে ভাল লাগে না! গায়ে একট কিছু দিন, প্লিজ।

আর তিনি যে বলছেন, "...অমরত্ব লাভের আশায় তো করিনি কিছু। কিন্তু এভাবেও তো কিছু সময় মরেও অমর হওয়া যায়।..."
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমার যে অল্প পড়াশোনা- মুক্তিযুদ্ধে আল মাহমুদের বিষয়ে আমি তো এমন কোনো দুর্ধর্ষ কিছু পাইনি যে তিনি অমর হয়ে থাকবেন। আল মাহমুদের মুক্তিযুদ্ধে অমর হওয়ার মত কোনো ঘটনা থেকে থাকলে, এই সম্বন্ধে কারো জানা থাকলে একটু জানান তো, প্লিজ...।
(Rasel Pervez জানিয়েছেন, "স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে লেখক হিসেবে আল মাহমুদ এনলিস্টেড, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের স্মরণিকায় এবং বিভিন্ন ব্যক্তির স্মৃতিচারণে তার উপস্থিতি আছে")।

Afm Tareq Bhuiyan আপত্তি জানিয়ে মন্তব্য করেছেন:
"amar bondhu zahid chatrashibir korto.jodio tar moto manus shadhinotar shopokkher shokti te ami dekhini.tar bondhu howay jodi amra jodi deshbirodhi hoye jai tahole bujhte hobe hatemonger ra shofol.amader pitamoho, propitamoho ei matir shontan howa shotteo amra kar potrikay likhlam,kar kach theke ful nilam ota amader identity hoye thakbe.al mahmud ke apni nognogatro dekhte paan ota ekta chauvinistic approach bole mone hocche."

আমার উত্তর:
"amar bondhu zahid chatrashibir korto..."
আপনার ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ নিয়ে আলাপ করতে চাচ্ছি না কারণ এটা আপনিই ঠিক করবেন কার সঙ্গে উঠবেন, কার সঙ্গে বসবেন। আমি কেবল আপনার শেষ অংশটা নিয়ে খানিক আলোচনা করব:
"...al mahmud ke apni nognogatro dekhte paan ota ekta chauvinistic approach bole mone hocche..."

ভাগ্যিস, দেশটা বাংলাদেশ! নইলে...।
জার্মানিতে কোনো শিশুর নাম 'হিটলার' রাখা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নাৎসি বাহিনী কেবল নিষিদ্ধই না- এই গ্রহের যেখানেই তাদের পাওয়া যাচ্ছে ধরে এনে বিচার করা হচ্ছে। নাৎসির সঙ্গে যুক্ত এমন কেউ মুক্ত ঘুরে বেড়ায় এমনটা আমার জানা নেই- পালিয়েই কূল পায় না আবার...।
নোবেল বিজয়ী গুন্টার গ্রাস, জীবনের শেষ সময়ে এসে ধিকৃত হচ্ছেন। কেন, তাঁর নাৎসি কানেকশনের জন্য। তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন কিন্তু পৃথিবীব্যপী সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছিল! আরেক নোবেল বিজয়ী লেচ ওয়ালেসা বলেছেন, গুন্টার গ্রাস যখন ২য় বিশ্বযুদ্ধে তার ভূমিকার কারণে বিতর্কিত, গুন্টারের উচিৎ হবে পোলিশ শহর গদানস্কের সম্মানসূচক নাগরিক এই খেতাবটি স্ব-ইচ্ছায় ছেড়ে দেয়া। ১৯২৭ সালে গুন্টার গ্রাস পোলিশ শহর গদানস্কে জন্মগ্রহন করেন। গ্রাসের এটা মেনে না-নিয়ে উপায় ছিল না।

আর আমাদের দেশে বাং-নাৎসিদের গাড়িতে কেবল পতাকাই উড়ে না, আমাদের মাথার উপর তাদের ছড়িও ঘোরে! এরা আবার মুক্তিযুদ্ধের সনদও বিতরণ করার সীমাহীন স্পর্ধা দেখায়! আবার সেই সনদ নেওয়ার জন্য মুক্তকচ্ছ হয়ে ছোটেন আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখে অমর হওয়ার খায়েশ হওয়া একজন, আল মাহমুদ!
আল মাহমুদের বাং-নাৎসিদের সঙ্গে যে কানেশন এতে করে অন্য দেশ হলে তাকে কারাগারে থাকতে হতো!
এই মানুষটার অনেক প্রলাপ শুনে আমার কাছে মনে হয়, একটা উম্মাদ, বদ্ধ উম্মাদ! উম্মাদের বাহ্যেজ্ঞান থাকে না, তার আবার কাপড়! তাই এই মানুষটাকে আমার কাছে স্রেফ একটা নগ্ন মানুষ মনে হয়। আমি মানুষটার উপকার করতে চেয়েছি বলেই গায়ে কাপড় দিতে বলেছি...।

আমি খানিক অন্য উদাহরণ ব্যবহার করব। আল মাহমুদের মত অসাধারণ মানুষদের সঙ্গে আমাদের মত অতি সাধারণ মানুষদের পার্থক্য সুস্পষ্ট। আল মাহমুদের মাকে যখন কেউ চরম অপমান করবে তখন তিনি প্রথমে ছুটবেন লন্ড্রির দোকানে। ছফেদ পাঞ্চাবিটা কড়া ইস্তারি দেওয়ার পর তিনি যাবেন থানায়। ওখানে গিয়ে তিনি বিস্তর কান্নাকাটি করায় বিষম হেঁচকি উঠবে, হেঁচকি থামলে চিঁ চিঁ করে বলবেন, 'চার-চার, ওরা না আমার মাকে অফমান কইচ্ছে'।
এরপর ফিরে গিয়ে মাকে নিয়ে চমৎকার একটা কবিতা লিখবেন, যে কবিতা পড়ে চোখের জলে পাঠকের তহবন ভিজে যাবে। এরপর মাকে নিয়ে সিরিজের-পর-সিরিজ কবিতা প্রসব করবেন।

আমার মত অতি সাধারণ মানুষ, আমার মাকে নিয়ে যখন কেউ কুৎসিত কথা বলবে, ওই মৃত মহিলার জন্যই হিংস্র পশুর মত লড়ব। হয় ওই মানুষটা খুন হবে, ক্ষমতায় না-কুলালে আমি নিজে। এখানে কোনো জেনেভা আইন নাই, কেবল জঙ্গলের আইন!
এখন এটাকে আপনি fanatical patriotism. বললে সেটা আপনার বক্তব্য, আমার না। বাঁচোয়া, বলি-বলি করেও বলেন নাই, আমি ফ্যানাটিক! আমাকে ফ্যানাটিক বললেও তাও সই!
কিছুই করার নাই, এটা রক্তের দোষ! তাই সাদাকে সাদা, গাধাকে গাধা, নগ্নকে নগ্ন বলিব...।

...
Afm Tareq Bhuiyan নামের মানুষটা আবারও মন্তব্য করেন:
"guntar grass er 2nd WW er activity jodi asolei nazi der pokkhe hoye thake tahole tar shonge Al Mahmud er 71 shongslistotar ki kono mil ache.uni ki rajakar chilen?

amar jana mote manus dui dhoroner hoy: good ar evil.al mahmud ke jevabe evil er katare fele dilen sei standard nazi rao apply korse.jemon dhoren ami shothvabe bolchi ami deshprem shobdotake opochondo kori. mone kori deshprem ekta banijjik brand.dinsese deshprem ekta protarona purno obastobota. tar mane ei na , je deshpremik ra protarok, tara ekta vukhondo ke valobashen itihaser kono eksomoy jei vukhondo ta tader nao theke thate parto. emono bortoman deshprsmik er bohu ager purbopurus gon ei elakar odhibasider tariye jayga dokhol kore.israeli ra deshpremik je desh tader na, american rao jodio oi tao native der theke chiniye neya.amader ei shadhin desh 71 a jonmo.ekdin ekhan theke aro rastro jonmo nibe.nibei.parbotto shadhin vumi protistito hobe, ami mene nebo.karon desh kono absolute bisoy na.apni valoi janen ekta jinis e absolute seta holo manobota.tai manobota birodhi der bichar korte giye al mahmud er moto ekjon tibro manobik manus keo nogno kore felben.standard ektai rakhun : good and evil. desh, kataterer bera ba faith kono standard hote parena.amar boktobbo ta bisrinkhol hocche hoyto, kintu ekbakke ja bolte chai ta `al mahmud eta deserve koren na.apne je jongole thaken amio sei jongole thaki.kintu al mahmud se jongole thaken na.karon ami bujhte pari, apni je rastay hatchen al mahmud emon bohu rasta par hoye onek bishal mohashoroke uponito. amra onek myopic, tar dristi prosarito.ai digonto bistrito dristi shokti orjon korte taake onek jontronar moddho diye jete hoyeche.nischit thakun, apnio jaben ei poth dhore."

আমার উত্তর:
"guntar grass er 2nd WW er activity jodi asolei nazi der pokkhe hoye thake tahole tar shonge Al Mahmud er 71 shongslistotar ki kono mil ache.uni ki rajakar chilen?"
আমি কেবল আপনার প্রথম মন্তব্যের উত্তর দেব। পরেরটার দেব না, কেন? এর ব্যাখ্যা পরে দিচ্ছি।
গুন্টার গ্রাসের উদাহরণটা দেয়া হয়েছিল এই কারণে যে পাপের দায় কেউ এড়াতে পারে না, সময় এখানো কোনো বিষয় না।
আর আল মাহমুদ রাজাকার ছিলেন এমনটা কোথাও বলা হয়নি। এমনিতে তিনি নিজেকে মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানের কারণে অমর হওয়ার স্বপ্ন দেখেন।
কিন্তু আমার মত হচ্ছে, তিনি রাজাকার ছিলেন না তবে রাজাকারেরও অধম! কারণ রাজাকার হয়তো খোঁড়া একটা যুক্তি দাঁড় করাবার অন্তত চেষ্টা করবে: ইয়ে...মানে ওই সময়...।
কিন্তু আল মাহমুদ এখন যা করছেন তা ঠান্ডা মাথায়। উদাহরণটা অনেকটা এমন, রাগের বশে খুন করা আর ঠান্ডা মাথায় কুপিয়ে টুকরা-টুকরা করা!

আল মাহমুদের কথাবার্তার অল্প কিছু উদাহরণ দেই:
ওই তথ্যগুলো নেয়া হয়েছে, http://www.nirpata.com/post/43260568255 থেকে:
.. "এখন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সম্বন্ধে একটু বলি। আমি এদের ভালোবাসি। কারণ আমার জানামতে ইসলামী ছাত্রশিবির একমাত্র ছাত্রসংগঠন যারা এখনও নৈতিক বল ও ঈমানের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আমি মনে করি এরা বিজয়ী হবে, ইনশাল্লাহ।"

"...মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের অবস্থান বিষয়ে আবারও প্রশ্ন করলে আল মাহমুদ বলেন, 'কারা বিরোধিতা করেছে, এখনো এটা স্থির হয় নাই'।"

"...জামায়াতে ইসলাম ইসলামী রাষ্ট্র, ইসলামী শরিয়ত প্রচলনের জন্যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। আমি একজন সাংস্কৃতিক কর্মী, আমি একজন কবি। কোথাও যদি তাদের সাথে আমার মিল হয় সেটা তো ভালো কথা আমি মনে করি, অসুবিধা কী? এবং তারা যদি সে-কারণে আমাকে খানিকটা পৃষ্ঠপোষকতা দেয় তাহলে সেটা আমার লভ্য; এটাকে বলি না যে এটা দোষনীয়।..."

"আমি ইসলামে বিশ্বাস করি। জামায়াতে ইসলাম দেশের নানান ঘটনায় নানা রকম রাজনৈতিক প্রক্রিয়া চালায়, এটার সাথে ইসলামের সম্পর্ক থাকতেও পারে। নিশ্চয় থাকবে, কারণ তারা তো ইসলামী দলই।"

রাজু আলীম আল মাহমুদের একটা সাক্ষাৎকার নেন:
"রাজু: এখানে আমি একটু বলি: সেভেনটি ওয়ানে ওদের ভূমিকা কেবল আওয়ামী লীগের, শেখ মুজিবের বিপক্ষে নয়, ওটা প্রকারান্তরে গোটা জাতির স্বার্থের বিপক্ষে চলে গেছে।
আল মাহমুদ: এটা আমি...ঠিক...সম্পূর্ণভাবে সঠিক মনে করি না।...তখনকার জামায়াতে ইসলামীর...আমার যেটা ধারণা; আমি কিন্তু রাজনীতির লোক নই আগেই বলে নিচ্ছি। আমার ধারণা যেটা পাকিস্তানের যে-ঐক্য, যে ভাব-কল্পনা...এটার অনুসারী ছিলো তারা, সেটা তারা রক্ষা করতে চেয়েছে। এবং সেই জন্যে শেখ মুজিবের রাজনীতির বিরোধিতা করেছে। এবং বিরোধিতার পরিণাম তারা ভোগ করেছে।...
রাজু: কী পরিণাম ভোগ করেছে? আমি তো কোনো পরিণাম দেখি না।
আল মাহমুদ: তাদের অসংখ্য লোক মারা গেছে।
রাজু: আর তারা যে অসংখ্য লোক হত্যা করছে, অসংখ্য নারীকে ধর্ষণে সহযোগিতা করছে, অনেক লুটপাট করছে?
আল মাহমুদ: এ বিষয়ে আমাকে প্রশ্ন না করাই ভালো...।"

আল মাহমুদ একটা অপরাধী দলের পক্ষে যে-সব কথা বলার সাহস পেয়েছেন তা কেবল বাংলাদেশেই সম্ভব। অন্য দেশে এই কারণে তাকে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হতো।

অজস্র উদাহরণ থেকে কেবল একটা বলি:
প্রিন্স হ্যারি হাতের বাজুতে কেবল হিটলারের স্বস্তিকার একটা চিহ্ন বেঁধেছিল। পত্রিকায় ছেয়ে গেল, হেডলাইন 'হ্যারি দ্য নাৎসি'। এই কারণে রাজপরিবার বাধ্য হলো প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে। এখন আপনি যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন, হ্যারি কী নাৎসি। এই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার কোনো মানে হয় না!

এই প্রজন্ম নিজের বাপকে ছাড় দিয়ে কথা বলে না আর আল মাহমুদ! হাহ...।

পরের মন্তব্যের উত্তর আমি দেব না কারণ...।
"standard ektai rakhun: good and evil." আপনার এই পরামর্শ দেয়ার স্পর্ধা দেখে আমি মুগ্ধ! আমার standard ঠিক করার জন্য আপনার পরামর্শ আমার কাছে দু-পয়সা দাম আছে বলে আমি মনে করি না। আমি শুনি কেবল আমার নিজের মনের কথা। কোথাকার কোন জ্ঞানী কোন জ্ঞান কপচালেন তাতে আমার কী!
আর আপনার এই মন্তব্যে আপনি আল মাহমুদকে দেবতার পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। আমি মানুষ নিয়ে কথা বলতে ভালবাসি, দেবতাকে না। দেবতা থাকবে আকাশলোকে, এখানে কী কাজ!
আপনার সঙ্গে এই প্রসঙ্গে কথা বলাটা এখন আমার কাছে শব্দের অপচয় মনে হচ্ছে! অপচয় বিষয়টা আমার পছন্দ না বিধায় আপনার সঙ্গে এই প্রসঙ্গে আলাপচারিতার এখানেই সমাপ্তি টানছি...।    

সুব্রত শুভ, অতি সাহসী এক মানুষের কথা!

'গোলাম আজম: ১ এবং সেইসব দিন!' [১] নামে যে লেখাটা আমি লিখি তার মূল তথ্যগুলো নিয়ে ঠিক এই দিনই Subrata Shuvo এই লেখাটাই স্ট্যাটাস দেন, নিজের নামে। যে লেখা ওনার ওয়াল থেকে ১৫৯ বার লেখাটা শেয়ার হয়েছিল। এর বাইরে যারা এই লেখাটা কপি-পেস্ট করেছেন তারা courtesy হিসাবে @Subrata Shuvo -এর নাম দিয়েছেন এবং তাকে ট্যাগ করেছেন। এমন বেশ কিছু লেখা আমি তার ওয়ালে দেখেছি। তিনি কিন্তু তাদেরকে একবারও বলেননি যে লেখাটা তার নিজের না!

তার ওই স্ট্যাটাসে [২] মন্তব্য আকারে আমি জানতে চাই তার এই লেখার উৎস কি (আমার যে লেখাটা তিনি নিজ নামে চালিয়ে দিয়েছিলেন, সেটা সম্বন্ধে!) প্রথমে বেশ কিছু হাবিজাবি কথা বললেও পরে তিনি বলেন, তার নাকি জানা ছিল না যে লেখাটা আমার। এবং একজন নাকি লেখাটা তাকে দিয়ে শেয়ার করার জন্য বলেছিলেন আর তিনি আর দেরি না-করে ওটা নিজের নামে দিয়েছেন। অতি হাস্যকর যুক্তি!
পরে, যে মানুষটা তাকে শেয়ার করার জন্য বলেছিলেন বলে সুব্রত দাবী করেছিলেন সেই মানুষটা সম্বন্ধে জানতে চাইলে একপর্যায়ে সুব্রত জানান, ওই মানুষটা নাকি তাকে ব্লক করেছেন।
ভাল...।

ইতিমধ্যে তিনি আমার ইনবক্সে কিছু কাতর কিছু কথা বললেন। নীতিগত কারণে আমি ওই ম্যাসেজটা এখানে দিচ্ছি না।
গোটা বিষয়টায় আমি প্রচন্ড ক্রদ্ধ হয়েছিলাম তার এই আচরণে। কারণ আমার কাছে যেটা মনে হচ্ছিল, তিনি একটা ক্ষমাহীন অন্যায় করেছেন। কেন বলছি...।

তিনি বলেছিলেন, তিনি নাকি জানতেন না যে এটা আমার লেখা। অথচ ওই লেখায় তার লাইক দেওয়া আছে [*]। এর অর্থ তিনি আমার ওই লেখাটা পড়েছিলেন। ওই লেখায় প্রথমেই আমি উল্লেখ করেছিলাম সেই ২০০৬ সালে এই সমস্ত লেখা লিখতে আমার কী অমানুষিক কষ্ট-যন্ত্রণাই না-হয়েছে। ওখানে এটাও লিখেছিলাম, এই সব লেখার সঙ্গে মিশে আছে রাতজাগা ভোর, প্রিয় মানুষের চোখের জল...।
ওই লেখায় আরেকটা প্রসঙ্গও ছিল, সেটা হচ্ছে সামহোয়্যারে 'তৌহিদ' নামের এক চোর ওই লেখাটাই হুবহু পোস্ট করেছিল তার নিজের নামে এবং ওটাও আমি ওই লেখায় সূত্র সহ উল্লেখ করেছিলাম। তার সেটাও পড়ার কথা।
সব কিছু জেনেও তিনি লেখাটা নিজের নামে চালিয়ে দিয়েছিলেন। এটা অসম্ভব সাহসী একজন মানুষের কাজ! এমন বুকের পাটা সবার থাকে না!

তার পক্ষে এমন একজন মানুষ তাকে ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য বলেছিলেন যিনি আমার উপর প্রচন্ড প্রভাব খাটাতে পারেন। কিন্তু ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো কাজ আমি করতে পারি না। বারবার আমাকে বলা হচ্ছিল, একটা অন্যায় করে ফেলেছে হেনতেন, ইত্যাদি-ইত্যাদি...। তীব্র ক্রোধ চেপে আমি তাকে বলেছিলাম, আমার ওই পোস্টে তিনি যেন তার অন্যায়টা স্বীকার করেন।
তিনি ওখানে লিখেছিলেন, 'আপনার কাছে সত্যিই দুঃখিত, দুঃখ প্রকাশ ছাড়া আর কিছুই করার নেই। আপনার লেখাটা যে আরেকজন চুরি করেছে তা আমি জানতাম না।.......তারপরও সরি.....ভবিষ্যতে চোরদের ব্যাপারে আরো সর্তক হবো। ক্ষমা করবেন।'
এখানে তিনি লিখেছিলেন, "...ভবিষ্যতে চোরদের ব্যাপারে আরো সর্তক হবো।..."
তিনি নিজের দায়টা অন্যের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। যদিও আমি স্পষ্ট জানতাম, তিনি নিজেই লেখাটা ছিনতাই করেছেন! তারপরও আমি দাঁতে দাঁত চেপে চুপ থেকেছি।

তারপরও, কিন্তু...। তাহলে এই লেখাটা কেন লিখছি?
এক সপ্তাহের মাথায় তিনি প্রায় একই ভঙ্গির আরেকটা কাজ করলেন। Nuruzzaman Manikএর কর্ণেল তাহেরকে নিয়ে একটা লেখা তিনি নিজের নামে স্ট্যাটাস দেন [৩] অথচ এই লেখাটাই @Nuruzzaman Manik সামহোয়্যারে লিখেছিলেন, ২১ জুলাই ২০০৯-এ [৪]!
@Nuruzzaman Manik এর প্রতিবাদে [৫] একটা পোস্ট দিলে তা আমার চোখে পড়ে।

সুব্রত শুভ নিজের নামে দেওয়া ওই লেখাটায় আমি মন্তব্য আকারে জানতে চেয়েছিলাম, এই অভিযোগের পেছনে ভিত্তি কী!
ওখানে আমি লিখেছিলাম, '...আপনার প্রতি কঠিন একটা অভিযোগ আনা হয়েছে। আমি আপনার কাছ থেকে এর একটা সদুত্তর আশা করছি। আমি আপনার উত্তরের অপেক্ষায় আছি...'।
যদিও তখন আমার মনে কোনো প্রকারের সন্দেহই ছিল না যে তিনি আবারও একই কান্ড করেছেন, মাত্র ৭ দিনের মাথায়!
তবুও আমি খুব আশায় ছিলাম, কোনো-না-কোনো প্রকারে অলৌকিক একটা ব্যাপার ঘটবে এবং তিনি এই দায় থেকে বেরিয়ে আসবেন। এমনটা হলে আমার চেয়ে খুশি আর কেউ হতো না। অন্তত তাকে নিয়ে এই লেখাটা আমাকে লিখতে হতো না।

তার কাছে কিছু সুযোগ ছিল- তিনি এই দায় খন্ডাবার চেষ্টা করলেই পারতেন। তিনি তার কোনোটাই ব্যবহার না-করেই স্ট্যাটাসটাই গায়েব হয়ে গেল [**]! তাতে করে কি দায় খন্ডন হলো? আর এটা হওয়ায় আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে গেল যে তার মনে কু আছে।
এবং...এটাও মনে হলো তার এমন সাহসের কথা না-জানালে অন্যায় হয়! কারণ নইলে তিনি আবারও ৩ দিনের মাথায় আরেকটা এমন কর্মকান্ড করবেন এবং আবারও হাস্যকর যুক্তি দেখাবেন। কালে-কালে তিনি এই দেশের সবচেয়ে সাহসী মানুষে রূপান্তরিত হবেন।
কারো লেখা তিনি পড়েননি, কারো লেখা তার কাছে কবিতা মনে হয়! ভবিষ্যতে কারো লেখা ছবি মনে হবে!
এবং আমি জানি না এ পর্যন্ত তিনি লেখা ছিনতাই করে, এমন কতজনের কাছে এই সমস্ত অতি হাস্যকর যুক্তি দিয়েছেন...?

লিংক:
১. গোলাম আজম: ১ এবং সেইসব দিন!: https://www.facebook.com/ali.mahmed1971/posts/10151522707652335
২. গোলাম আজমকে নিয়ে @Subrata Shuvo-এর পোস্ট: https://www.facebook.com/Subrata.Shuvo/posts/10201435011467687
৩. @Subrata Shuvo-এর পোস্ট যেটা এখন গায়েব হয়ে গেছে: https://www.facebook.com/Subrata.Shuvo/posts/10201475764086477
৪. @Nuruzzaman Manik-এর সামহোয়্যারের লেখা: http://www.somewhereinblog.net/blog/nuruzzamanmanik/28981320 
৫. @Nuruzzaman Manik-এর প্রতিবাদ লেখা: https://www.facebook.com/nuruzzaman.manik/posts/10151824720099954

ছবি:
* আমার পোস্ট, গোলাম আজমের লেখায় @Subrata Shuvo-এর লাইক দেয়ার স্ক্রিণশট
** @Nuruzzaman Manik-এর লেখা নিয়ে @Subrata Shuvo -এর যে স্ট্যাটাসটা উধাও, তার স্ক্রিণশট (গায়েব হয়ে গেছে বলে মন খারাপ করার কিছু নাই। এর পুরোটাই আমার কাছে পিডিএফ করা আছে।)
*** @Subrata Shuvo-এর স্ট্যাটাসটা দেখাচ্ছে না, এর স্ক্রিণশট।
...
আমার যা বলার লেখাতেই বলে দিয়েছি। কিন্তু আপনি জানতে চেয়েছেন সেই দায় থেকে লিখছি...।
আপনি লিখেছেন:
"...নিজের নামে দিয়েছি। ওটা আমার নাম ছিল নাকি রনির নাম ছিল? রনি অনুরোধ করেছে তাই তার স্ট্যাটাস তার নামে শেয়ার দিলাম। আমার নাম আসল কোই থেকে।..."
আমার যে লেখাটা আপনি স্ট্যাটাস হিসাবে দিয়েছিলেন সে লেখার নীচে আপনি লিখেছেন, 'ধন্যবাদ Johorul Islam Rony আবার মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য'।
এই লেখাটা যে রনির, কোথায় রনির নাম! এখানে কিন্তু আপনি কোথাও এটা বলেননি যে এটা রনির লেখা। কেবল লিখেছেন, 'রনি আপনাকে মনে করিয়ে দিয়েছে'। কী মনে করিয়ে দিয়েছে? আজ মেঘলা দিন নাকি সবাই গেছে জঙ্গলে?

ঠিক এই লেখাটাই কোথাকার কোন রনি আপনাকে অনুরোধ করে শেয়ার করার জন্য (এটা আপনার দাবী)। উত্তম! আপনি বিন্দুমাত্র দেরি না করে এই লেখাটা স্ট্যাটাস হিসাবে দিয়ে দেন। অতি উত্তম!
অথচ আপনি আমার লেখাটা পড়েছেন। লাইকও দিয়েছেন। আবার অবিকল আমার এই লেখাটাই যখন কোথাকার কোন রনি (সে আবার ঠিক ওই সময়ই আপনাকে ব্লকও করে দেয়!) আপনাকে শেয়ার করার জন্য বলে তখন আপনি তা শেয়ার করে ফেলেন! অথচ আপনি আমাকে এটাও বলেছিলেন, আপনি জানতেন না লেখাটা আমার...।
আমার তো মনে হয় আমি একটা শিশু-শিক্ষার আসরে আছি!

"...আমি তো তাকে বলেই স্ট্যাটাস অনলিমি করেছি।..."
স্ট্যাটাস আপনার, এর দায়-দায়িত্ব আপনার। আপনি কাকে বলে 'অনলি মি' করেছেন এটা তো আমার জেনে কাজ নেই। আপনার যে কোনো লেখা আপনি যা-খুশি তা করতে পারেন। কিন্তু...একটা কিন্তু থেকে যায়।
আপনার ওই স্ট্যাটাসে আপনার প্রতি যে কঠিন অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছিল (৭ দিনের মাথায়!) তার ব্যাখ্যা পাঠক আপনার কাছ থেকে চাইতেই পারে। আপনি আপনার অবস্থান পরিষ্কার করবেন, এটাই যুক্তিযুক্ত ছিল কিন্তু তা না-করে আপনি সেটাকে 'অনলি মি' করে ফেলবেন, এক অর্থে লেখাটা সরিয়ে ফেলবেন! এর তো কোনো প্রয়োজনই পড়ে না। ওখানে আপনার যথার্থ ব্যাখ্যা থাকলেই চুকে যেত। স্বাভাবিক আচরণ এটাই হতো...।
...
ইনবক্সে একজন জানালেন যে @Subrata Shuvo , আপনি হালে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছেন: https://www.facebook.com/Subrata.Shuvo/posts/10201491500839886। সেই সূত্রে আপনার লেখাটা দেখার সুযোগ হলো। ওখানে আপনি ইনিয়ে-বিনিয়ে-ফেনিয়ে অনেক কথাই লিখেছেন। আপনি সেই লেখাটা শেষ করেছেন এভাবে:
"...আমাদের দেশটা তো ছোট তাই এই দেশের অনলাইন লেখকদেরও মনটা ছোট।..."

জ্বী, অনলাইনের লেখকদের মন ছোট। ছোট না-হলে আপনি যে কাজ করেছেন এই কাজ করার জন্য 'ব্লগেস্ট তৌহিদ' নামের একজনকে, আমার গোলাম আযম নিয়ে লেখাটার কারণে সামহোয়্যারের তার লেখায় গিয়ে আমি বলেছিলাম, 'আপনি একটা চোর'। তার কোনো ব্যাখ্যা শোনার প্রয়োজন দেখিনি কারণ সমস্ত প্রমাণ তার বিরুদ্ধে ছিল। এবং গোলাম আযমের ওই পোস্টেও 'ব্লগেস্ট তৌহিদ' নামের মানুষটার প্রতি অতি কঠিন কথাও বলেছি।

কিন্তু আপনি ওই 'ব্লগেস্ট তৌহিদ'-এর চেয়েও মন্দ কাজ করেছেন। সব জেনেও আপনি ওই কাজটা করেছেন যেটা আমি আমার এই স্ট্যাটাসে বিস্তারিত বলেছি। সেটার আর চর্বিতচর্বণ করি না।
অথচ আপনার বেলায় অনেক সহনীয় আচরণ করা হয়েছিল এই কারণে আপনার বয়স কম এবং আপনি একটা ট্রমার ভেতর দিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু আপনি সেটার পুরোপুরি অপব্যবহার করেছেন! কেবল অপব্যবহারই করেননি, উদ্ধত আচরণও করেছেন।
এবং আপনার নির্লজ্জতা আমাকে লজ্জা দেয়! আমার স্মৃতিশক্তি দুর্বল তারপরও আপ্রাণ চেষ্টা করেও মনে করতে পারছি না শেষ কবে আপনার মতো নির্লজ্জ মানুষ দেখেছি! আপনি আমার এখানে এসে এমন অনেক কথাই বলেছেন যা দুর্বিনীত আচরণ।
আপনার এই আচরণ দেখে আমার ভাষায় বলি, 'এক কাপ চায়ে দু-কাপ চিনি'!

আমি আপনার অপরাধ ভুলেই গিয়েছিলাম কিন্তু আপনি ৭ দিনের মাথায় আবারও বিতর্কিত কর্মকান্ড করলেন। এটাকে হালকা করে দেখলে আপনি সাড়ে ৩ দিনের মাথায় আবারও একটা কর্মকান্ড করতেন এতে অন্তত আমার কোনো সন্দেহ নেই! যেটা আমি পূর্বেও বলেছি...।
@Nuruzzaman Manik বুঝতে পেরেছিলেন আপনি কাজটা ইচ্ছাকৃত ভাবে করেছেন। কারণ তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছেন:
"...যদিও সামু ব্লগে ইটালিক, আমুতে ইনভাইটেড কমা ও মুক্তমনায় বোল্ড করা ঐ চার লাইন এবং বাকি আমার লেখাটি সহজেই আলাদা করা যায় ।..."
অথচ আপনি নাকি পুরো লেখাটাই একটা কবিতা ভেবেছেন- এটা তো একটা শিশুরও বোঝার কথা! যথারীতি @Nuruzzaman Manik -ও আমার মতই আপনাকে ক্ষমা করার চেষ্টা করেছেন।
আমাদের এই সব তো অবশ্যই 'মন ছোট' লক্ষণ এতে আর সন্দেহ কী!

রাষ্ট্র আপনার প্রতি অন্যায় করেছিল এই কারণে অনেকেরই আপনার প্রতি আলাদা মমতা আছে। আমারও ছিল। আর 'মন ছোট'র কথাই যখন বললেন তখন খানিকটা না-বলে পারছি না। এবেলা এটা বলে রাখি, আপনি যখন কারাগারে তখন আপনার পক্ষে বলার জন্য কারো কোনো প্রকারের কন্ট্যাক নাম্বার- মিডিয়া, বিশেষ করে আন্তুর্জাতিক মিডিয়া তখন পাচ্ছিল না। ক্যামেলিয়ার ফোন নাম্বার আমিই যোগাড় করে দেই, এটা সেই সময়ের কথা যখন অনেক 'সেলিব্রেটি ফেসবুকার' গর্তে লুকিয়েছিলেন। তখন তেমন কেউ টুঁ-শব্দও করতে চাচ্ছিলেন না। আপনি জেলে অথচ আপনার আইডি একটিভ- এটাকে ট্র্যাক করা। এই সমস্ত কাজগুলো আমার মত অল্প কিছু মানুষ ঝুঁকি নিয়ে করেছিল। ওটার স্ক্রিণশট দীর্ঘ দিন আমার ওয়ালে ঝুলেছে অথচ আমি আমি আমার ওয়ালে অসম্ভব গুরুত্বপূর্ণ না-হলে কারো কোনো বিষয় রাখি না।
এও সত্য আপনি সুব্রতের জায়গায় সলিমুল্লা-কলিমুল্লা হলেও একই কাজ করা হতো, এটা কোনো আলাদা বিষয় না...। কিন্তু তাই বলে আপনি যা-খুশি করবেন আর এটা উপেক্ষা করা হবে এমনটা ভাবার কোনো অবকাশ নাই।  

গতকালও আমার ইনবক্সে আপনার জন্য অনেকেই অনুরোধ করেছেন। কিন্তু  আপনি মানুষের মমতার পুরোপুরি অপব্যবহার করছেন। লোকজনের এই মমতার কারণে আপনি 'ক্ষুদে গানরাজের' মত নিজেকে স্টার ভাবা শুরু করেছেন। আকাশলোকের বাসিন্দা।
আর আমি আপনার কারণে যেসব মানুষ আমাকে আপনার জন্য একের-পর-এক অনুরোধ করেছেন তাদের কাছে হৃদয়হীন হিসাবে পরিচিত হয়েছি। এ আমার জন্য বড়ো কষ্টের!

ডিয়ার সুব্রত, অনেক শুনেছি আপনার প্রলাপ! আপনার সম্বন্ধে এখন আমার ধারণা অনেকটাই পাল্টেছে। আপনার আচরণ একজন চোরের মত না, একজন ডাকাতের মত! আমি ডাকাতদের ভয় পাই, নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখি।

আপনার সঙ্গে আলাপচারিতার এখানেই সমাপ্তি। কারণ আপনার সঙ্গে বাক্য ব্যয়ের অর্থ হচ্ছে মর্মান্তিক বেওকুফি! আর আমার ভাষায় 'শব্দের অপচয়'- অপচয় বিষয়টা আমার পছন্দ না।

আমি আমার এখানে আপনার আর কোনো মন্তব্য দেখতে চাচ্ছি না। এখানে আর কোনো মন্তব্য না-করার জন্য আগাম ধন্যবাদও আপনাকে জানিয়ে রাখছি...।