Search

Loading...

Sunday, January 29, 2012

হাতুড়ি-ভাইয়া

ছবি ঋণ: প্রথম আলো, ২৫ জানুয়ারি, ২০১২
এটা একটা অসাধারণ ছবি। আমি অভিভূত! 'বঙ্গাল' বলে কথা!

Saturday, January 28, 2012

মিডিয়ার অপরাধ এবং মুক্তিযুদ্ধে 'জনৈক সালাউদ্দিন'

­দানবীর নূতন সিংকে নিয়ে একটা লেখা লিখেছিলাম [১]। এই লেখাটা প্রথমে লেখা হয়েছিল অন্য একটি ওয়েবসাইটে, ২০০৭ সালে পরে আমার নিজস্ব সাইটে ২০১০-এ।
আমাদের মুক্তিযুদ্ধে নূতন সিংহের হত্যা আমার মনে অসম্ভব দাগ কেটেছিল অন্য কারণে। এই মানুষটিকে যখন হত্যা করা হয় তখন তিনি প্রার্থনারত অবস্থায় ছিলেন। এবং অতি ঘৃণ্য এই কাজটা করেছিল তারাই যারা ধর্মের ঝান্ডা টিকিয়ে রাখার জোর দাবী জানিয়ে আসছিল! সাচ্চা মুসলমান!

Thursday, January 26, 2012

অপুষ্ট জাতি!

­আমি এক লেখায় বলেছিলাম, "...ফল যা হওয়ার তাই হচ্ছে। ফি-বছর নিয়ম করে বাচ্চা! এখন আমাদের লোকসংখ্যা কত? ১৬ কোটি কি ছাড়িয়ে গেছে? আফসোস, আমাদের দেশে ৬ মাসে বাচ্চা হওয়ার কোন সুযোগ নেই নইলে আমরা অনায়াসে ভারত-চীনকে ছাড়িয়ে যেতে পারতাম। আরেক সুপার পাওয়ার হয়ে উঠতাম।  [১]
...স্বাস্থ্যসচিব হাইকোর্টে হলফনামা দিয়েছেন, এই দেশের সব দম্পতি পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত [২]

Saturday, January 21, 2012

মুখোশ!

­আমার বারবার বলে আসছি আমাদের দেশটা বড় বিচিত্র, ততোধিক বিচিত্র এই দেশের মানুষ। মাছের পচন শুরু হয় নাকি মাথা থেকে, হবে হয়তো। কিন্তু গোটা মাছটাই যে পচে গেছে, এখানে মাথা না লেজ এই কুতর্ক করে লাভ কী!
এখন এখানে প্রতিভা বিক্রি হয় কেজি দরে। একজন এই কথাটাই শুনে শ্লেষভরা কন্ঠে বলেছিলেন, কেনে কে? আপনি নিশ্চিত, হরেদরেও তাহলে বিক্রি করা যায়? আসলে ক্রমশ আমরা হয়ে উঠছি একেকটা যন্ত্রমানব হয়ে। ক্যারিয়ার, বড় হওয়ার জন্য শর্টকাট রাস্তা ব্যতীত অন্য কোনো রাস্তায় আমরা হাঁটতে চাই না। এই জন্য আত্মা বন্ধক রাখতে হলেও কোনো সমস্যা নাই। প্রয়োজনে আমরা বিক্রি করে দেব প্রিয়মানুষের লিভার-কিডনি।

Thursday, January 19, 2012

bsf- এক নেকড়ের নাম!

­ভুবনেশ্বর নামে অসম্ভব শক্তিশালী একজন লেখকের অসাধারণ এক গল্প পড়েছিলাম [১], বাপ-বেটাকে নেকড়ে দৌড়াচ্ছে। বাপ যখন দেখলেন বাঁচার আর কোনো উপায় নেই তখন পা থেকে জুতো জোড়া ছেলেকে দিয়ে নেকড়ের মাঝখানে লাফিয়ে পড়লেন।
সোজা কথায় নেকড়ের হাত থেকে যখন বাঁচা যাবেই না তখন নেকড়ের হাতে নিজেকে তুলে দেয়াটাই শ্রেয়, ন্যূনতম সম্পদ বাঁচল এই পাওয়া।

আজ ভুবনেশ্বরের এই গল্পটা, নেকড়ের কথা কেন মনে পড়ল?

Tuesday, January 17, 2012

আদালত-আইন এবং গতি!

­আদালত অবমাননার কারণে রুহূল আমিন নামের একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে ছয় মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত এ তো আমরা সবাই জানি। তিনি প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুকামনা করে ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। তার এই কর্মকান্ড কতটা যুক্তিসঙ্গত আজকের লেখার বিষয়বস্তু এটা না। কলম এবং ছুঁরি মধ্যে মূলত খুব একটা পার্থক্য নাই। ছুঁরি দিয়ে কে আপেল কেটে খাবে কে চোখ উপড়ে ফেলবে, নির্ভর করবে কার হাতে ছুঁরিটা। সে ভিন্ন প্রসঙ্গ...।

পত্র-পত্রিকা থেকে আমরা জানতে পাই, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক

Monday, January 16, 2012

একজন ভাগীরথী এবং অজ্ঞাতনামা রাজাকার

"অষ্টাদশী ভাগীরথী ছিল বরিশাল জেলার পিরোজপুর থানার বাঘমারা কদমতলীর এক বিধবা পল্লীবালা। বিয়ের এক বছর পর একটি পুত্র সন্তান কোলে নিয়েই তাকে বরণ করে নিতে হয় সুকঠিন বৈধব্য। স্বামীর বিয়োগ ব্যথা তার তখনও কাটেনি। এরই মধ্যে দেশে নেমে এল ইয়াহিয়ার ঝটিকা বাহিনী। গত মে মাসের এক বিকালে ওরা চড়াও হলো ভাগীরথীদের গ্রামে। হত্যা করলো অনেককে যাকে যেখানে যেভাবে পেলো।

এ নির্বিচার হত্যাযজ্ঞের মধ্যে ভাগীরথীকে

Sunday, January 15, 2012

"যাহা ছাপিব সত্য ছাপিব, সত্য বৈ..."

মিডিয়ার লোকজনের কী দবদবা! একেকজন চলমান জ্ঞানের ভান্ডার! এঁরা হাঁটেন পা ফাঁক করে তবে সাবধানে, খানিক কাত হলেই জ্ঞান গড়িয়ে পড়বে যে!
কে সুশীল, কে কুশীল, কে সাহিত্যিক, কে সাহিত্যিক নন- কার লেখা পেশাবের ফেনা সবই এরা ঠিক করে দেন। কে সাদামনের মানুষ নাকি কালোমনের মানুষ সবই তার ইচ্ছা! জমিনের ঈশ্বর আর কী! হও বললেন হয়ে গেল।
তবে নিজেদের স্বার্থে আঘাত এলে এদের নোংরা মোজা ছোঁড়াছুড়ি নিয়ে কী নোংরামী হতে পারে এর খানিক নমুনা আমরা দেখেছি [১]!
এদের কু-কান্ড নিয়ে প্রচুর লেখালেখি হয়েছে চর্বিতচর্বণ আর করি না [২], [৩]। তবে...।

Saturday, January 14, 2012

কালের কন্ঠ, ছাগুবান্ধব প্রিন্ট মিডিয়া!

­আমরা সাধারণ পাঠক ৮০০ পয়সা কবুল করে যখন পত্রিকা খরিদ করি তখন লক্ষ রাখি পয়সা কেমন উসুল হলো। যখন বাড়তিটা পেয়ে যাই তখন আমাদের আনন্দ দেখে কে। বিনে পয়সায় পাবলিক আলকাতরা খায় আর আমরা বিনোদন খাব না, তা কী হয়!

আমাদের দেশের সমস্ত মিডিয়া ইলেকট্রনিক-প্রিন্ট-ওয়েব পোর্টাল সবই ব্যবসায়ীদের হাতে। ব্যবসায়ী বলে কথা- এরা নিজেদের স্বার্থে মিডিয়াকে ব্যবহার করবেন এটা জানার জন্য রকেটবিজ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

Thursday, January 12, 2012

তিতাস: ধন্যবাদ, প্রথম আলো

তিতাস নিয়ে শেষ লেখাটায় বলেছিলাম, অচিরেই এই রাস্তা-বাঁধটা অপসারণ করা হবে [১]। এখন বলা যেতে পারে অতি দ্রুতই এই কাজটা এরা শুরু করেছিলেন। ধন্যবাদার্হ!

আমাদের প্রিন্ট মিডিয়ার অনেক 'নখরামি'। এমনিতে নখরায়ুধদের নখ দেখা যায় বটে কিন্তু মিডিয়ার নখ থাকে অপ্রকাশ্যে! এদের কর্মকান্ড বোঝা ভার।
আর এরা কখন কোন প্রতিবেদন ছাপাবেন তা নির্দিষ্ট করা আছে। যেমন ধরা যাক, মুক্তিযুদ্ধসংক্রান্ত কোনো প্রতিবেদন। ডিসেম্বর, মার্চ না-এলে এরা কলমই স্পর্শ করবেন না। দশ মাস কলম চিবুতে চিবুতে ইকড়ি-মিকড়ি খেলা খেলবেন। এরপর...এরপর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে অন্তর্বাস ভিজিয়ে ফেলবেন। সেই অন্তর্বাস রোদে মেলে দিয়ে রোদ পোহাবেন।

Saturday, January 7, 2012

তিতাস, ঘরের মেয়ে ঘরে ফিরে যাচ্ছে

এই ছবিটির সূত্র: http://tinyurl.com/6lv3f57
­­ট্রানজিটের নামে তিতাসের মাঝখানে বাঁধ-রাস্তা তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল দেশবাসীর মধ্যে, আমার মধ্যে [১] 
এবং আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করেছি, ৭২৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের মধ্যে বাংলাদেশ ১০০ মেগাওয়াট পাবে বলে আশা করা হয়েছিল কিন্তু বাংলাদেশ ১ ওয়াট বিদ্যুতও পাচ্ছে না তাহলে আমরা এতো যন্ত্রণা করতে গেলাম কেন?

Friday, January 6, 2012

আমাদের কি দায় পড়েছে, দাদা?

তিতাস নদীর মাঝে রাস্তা করা নিয়ে তুলকালাম কান্ড হচ্ছে। আমি মনে করি, এই জাগরণ প্রতিবাদের অবশ্যই প্রয়োজন আছে। এখানে কাজ করেছে স্রেফ দেশের জন্য আবেগ।


Wednesday, January 4, 2012

ব্লগ বনাম প্রিন্ট মিডিয়া

আবারও চর্বিতচর্বণ, অসংখ্যবার আমি এ কথাটা বলেছি, ব্লগস্ফিয়ার, ব্লগের শক্তিটা আসলে আমরা আঁচ করতে পারছি না। আমি নিজেও না! কে জানে, একটা ব্লগ পরিবর্তন করে ফেলতে পারে কারো দৃষ্টিভঙ্গি, কোনো দেশের জাতীয় সিদ্ধান্ত। দেশটা কঙ্গো না তিউনিসিয়া সেটা আলোচ্য বিষয় না।...
কারণ ব্লগিং হচ্ছে নির্মেদ-মেদহীন। আমার ভাষায় যেটা বলি, টলটলে পানি- যার উৎস অদেখা ঝরনা। প্রিন্ট মিডিয়ায় যেটা সম্ভব না কারণ এরা বাড়তি মেদের ভারে পৃথুল!

সম্প্রতি এক আলোচনায় বলেছিলাম,

Monday, January 2, 2012

হাসপাতাল পর্ব, বারো: বর্জ্য

­আমরা হাতি কিনি কিন্তু হাতির খাবারের কথা চিন্তা করি না কারণ জাতি হিসাবে আমরা বড়ো হুজুগে! চিন্তার দৌড় আমাদের বড়ো সীমিত!
যেমন ধরা যাক, এই যে আমরা রাশিয়ার সঙ্গে শলা করে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে যাচ্ছি কিন্তু এই চুল্লি থেকে যে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য থেকে যাবে তার বিষয়ে আমাদের পরিষ্কার করে কোনো ধারণা নাই।
এই বর্জ্য কি রাশিয়া নিয়ে যাবে নাকি এটা আমাদের দেশের কোনো অংশে ফেলে দেয়া হবে এটা আমরা জানি না!
রাশিয়া এটা এখন ভাসা ভাসা স্বীকার গেলেও শেষপর্যন্ত