Search

Loading...

Wednesday, November 30, 2011

হাসপাতাল পর্ব: তিন

ডাঃ তৌহিদুল আলমের সঙ্গে আমার আলাপ, কথাবার্তা নিম্নরূপ:
ডাক্তার: ওয়েল, রেডি থাকেন, কালকে পেটটা কেটে ফেলি।
আমি: (অদম্য রাগ সামলে): উম-ম, কালকে-কালকে। আচ্ছা। তা খরচ-টরচ কেমন পড়বে?
ডাক্তার: খরচ বেশি না।
আমি: আমি তো ঢাকায় থাকি না, বিস্তারিত জেনে টাকাটা যোগাড় তো করতে হবে।
ডাক্তার: আমি নেব ত্রিশ। ওটি এবং ওষুধ আলাদা।
আমি: ওটির খরচ কত?

Monday, November 28, 2011

হাসপাতাল পর্ব: দুই

ঈদের পর পরই যানজটের হ্যাপা থাকার কথা না তবুও আমি ঝুঁকি নিলাম না। ভোর পাঁচটায় রওয়ানা হলাম। অ্যামবুলেন্স ঝড়ের গতিতে ছুটছে। ছোটবোনটা মার হাত ধরে বসে আছে। আমি ইচ্ছা করেই সামনে বসেছি। মার মুখটা কী পান্ডুর। তবুও কী তীব্র তাঁর চোখের দৃষ্টি! এই দৃষ্টি পড়ার ক্ষমতা আছে কেবল নিজ সন্তানের। পারতপক্ষে আমি মার চোখে চোখ পড়ুক এটা চাচ্ছিলাম না, আপ্রাণ চেষ্টায় এড়িয়ে যেতে চাচ্ছিলাম।

Sunday, November 27, 2011

হাসপাতাল পর্ব: এক

কোরবানী ঈদ নামের ত্যাগবাজির [১] রেশ তখনও শেষ হয়নি- রক্তের দাগগুলো ভাল করে শুকায়নি!। আমার মাথায় নেমে এলো ঘোর বিপদ! সমস্যাটা আমার মাকে নিয়ে।

আমার মার 'কলোনস্কপি' করেছিলেন গ্রীন রোডের ক্রিসেন্ট গ্যাস্ট্রোলিভার এন্ড জেনারেল হাসপাতালে, তৌহিদুল আলম নামের একজন 'পাকোয়াজ' ডাক্তার। যার নাম আমি দিয়েছিলাম গু-ডাক্তার [২]। তিনি মতামত দিয়েছিলেন, আলসার। "...Findings consistent with ulcerative colitis." (21 aug, 2011)