Thursday, April 8, 2010

কালের কন্ঠ: এর মানে কী!

কিছু বিষয আছে যা বোঝার জন্য রকেটবিজ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন নাই। বোঝার জন্য আমাদের মত অল্প জ্ঞানঅলা মানুষেরও বেগ পেতে হয় না।

আমরা অপেক্ষায় ছিলাম। অতি শিঘ্রি প্রথম আলো এবং কালের কন্ঠ কেমন করে একে অন্যের গায়ে পুরীষ ঢেলে দেয়। এবং লতিফুর রহমান, আহমেদ সোবহান এঁরা কেমন করে একজন অন্যজনের অন্তর্বাস ধরে টানাটানি করেন তাও দেখার অপেক্ষায়। অপেক্ষার সমাপ্তি, খেলা শুরু হয়ে গেছে। 
আমরা ভাতঘুম দেয়ার পূর্বে ভুঁড়ি ভাসিয়ে পত্রিকা পড়ার মাধ্যমে দেখব কার অর্ন্তবাসের কি রং! কত বিচিত্র সাইজের, ততেধিক বিচিত্র রঙের অন্তর্বাস।

যাগ গে, আমার লতিফুর রহমান, আহমেদ সোবহান কারও প্রতি আলাদা আগ্রহ নাই। কে কতদিন অন্তর্বাস ধৌত করেন না, কারটা দিলে ওয়াশিং মেশিন অটো অফ হয়ে যায় এটাও আমার আগ্রহের বিষয় না।

আজ কালের কন্ঠে (০৮.০৪.১০) প্রথম পাতায় ছাপা হয়েছে 'ঋণখেলাপি হয়েও শতকোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন লতিফুর'।  
লতিফুর রহমানের ঋণ নিয়েছেন কি না এটাও আমার আগ্রহের বিষয় না।  আচ্ছা, সব পত্রিকাওয়ালারা এমন করে লেখে কেন, লতিফুর, খালেদা? বিচ্ছিরি লাগে। সম্ভবত চুতিয়া মিডিয়া এটা বৈদেশ থেকে আমদানী করেছে। আমাদের তো আবার বৈদেশী ভাব ধারণ না করলে চলে না।

যেটা আমি বলতে চাচ্ছিলাম, এই খবরটায় লতিফুর রহমানের ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বার ছাপিয়ে দেয়া হয়েছে। এর মানে কি? তাঁর মোবাইলে যোগাযোগ করা হয় এটা লিখলে কি চলছিল না, একেবারে বুদ্ধি করে নাম্বার ভাগ করে ছাপানোর মানে কী? নাকি এটা না করলে মাথা কাটা যায়? একজনের সেল নাম্বার অনুমতি ব্যতীত এভাবে জনসমক্ষে ছাপাবার কুফল চোখ বন্ধ করে বলে দেয়া যায়, রাত আড়াইটায় একজন ফোন করে বলবে, কিরে, লইত্যা, ঘুমাস নিহি?

এ অন্যায়! এ সন্ত্রাস!!