Tuesday, October 12, 2010

'রোবো-পশু'

তুরাগ নদীতে যে বাসটা ডুবে গেছে এটার চালক নাকি কেজিবির এজেন্ট ছিল। সুইসাইডাল স্কোয়াডের একজন ঝানু লোক- এই স্কোয়াডের লোকজনরা নিজের প্রাণের তোয়াক্কা করেন না, নির্দেশ পাওয়ামাত্র নিজের প্রাণ বিলিয়ে দেন। কেবল মিশন সফল হওয়া চাই।
এটা অবশ্য আমার জানা হতো না, মাসুক নানাকে (এ মাসুদ রানারও বাপ!) একটা ওয়েব সাইট বানিয়ে দেয়ার বিনিময়ে তথ্যটা পেয়েছি।

জানি-জানি, অনেকে নিশ্চিত হয়ে বসে আছেন রাত জেগে ব্লগিং করে করে আমার মাথাটা গেছে- কুৎসিত রসিকতা করছি! কী আশ্চর্য, মাথা থাকলে না মাথা যাবে! মাথা তো কেবল আছে আমাদের দেশের চালক মহোদয়গণের, যারা দেশটার চাকা বনবন করে ঘোরাচ্ছেন। আমাদের ফাঁকা মাথা এঁরা কথার ফুলঝুরি দিয়ে ভরে দেন। তখন আমাদের নর্দন-কুর্দন দেখে কে ! নেতা বলেছেন নাচো, তো নাচো- নেতা বলেছেন উদোম হও, তো উদোম হও- নেতা বলেছেন, প্রাণ নর্দমায় ফেলে দাও, ব্যস, ফেলে দাও।

সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ রেলক্রসিংয়ে যে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে গেল এটার জন্য দায়ী কে সেই প্রসঙ্গে পরে আসছি। আমাদের নেতারা কি বলছেন সেটা আগে শুনি:
খালেদা জিয়া বলছেন, "দুর্ঘটনা নয়, একটা এজেন্সি হামলা চালিয়েছে। ...সিরাজগঞ্জের সমাবেশ বাতিল করতে সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে রেল দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে। ...সরকারের একটি এজেন্সি আগন্তুকদের উপর হামলা চালিয়েছে। এটা কোন দুর্ঘটনা হতে পারে না। এটা সরকারের পরিকল্পিত সন্ত্রাস..."। [১]
...
খালেদার উপদেষ্টা ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, "...আমাদের বলা হয়েছে, দুপুর দুইটার পর থেকে সাতটা পর্যন্ত কোনো ট্রেন এই লাইনে চলবে না"। একই বক্তব্য ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিনেরও (প্রথম আলো, ১২.১০.২০১০)

যেমন নেতা তেমনি তাঁর কর্মী! এদের নাকি বলা হয়েছিল, দুপুর দুইটার পর থেকে সাতটা পর্যন্ত কোনো ট্রেন এই লাইনে চলবে না। এদের মাথার ভেতর সাবানের ফেনাও সম্ভবত নাই কারণ সমাবেশ করার জন্য এই দেশে এমন আদেশ জারি করার ক্ষমতা কারও আছে বলে আমার জানা নাই! সমাবেশ হবে, তাও রেললাইনের উপর, রেলগাড়ি বন্ধ করে দিয়ে! যাত্রীরা তখন কি হেলিকপ্টারে করে চলাচল করবে?
আসলে কালে কালে এই সব আমাদেরকে শেখানো হয়েছে, কথায় কথায় রাজপথে মিটিং-মিছিল করে রাস্তা বন্ধ করে দেয়া। প্রধানমন্ত্রী বৈদেশ গমন করবেন, বৈদেশ থেকে তশরীফ আনবেন; তো, দলে দলে গিয়ে এয়ারপোর্টে হাজির হয়ে যাও। যারা যাবে না তাদেরকে হল থেকে বের করে দাও। তখন রাজপথ হয়ে যায় পিঁপড়াপথ, দ্রুতগামী গাড়িগুলোকে পিঁপড়াও অনায়াসে পিছু ফেলে যায়! 
কোন-না কোন উপায়ে রাস্তা বন্ধ করে দিতে আমরা খুবই পছন্দ করি। এমবুলেন্সে যে শিশুটি কেবল রাস্তা না-থাকার কারণে ছটফট করতে করতে মারা যায়। অনেকে বলবেন, এ অভাগা, আলোর মুখ দেখল না। আমি বলব, শিশুটি ভাগ্যবান, তাকে এই দেশে অধিক কাল শ্বাস নিতে হলো না। যে দেশ হাসপাতালে যাওয়ার জন্য একটা শিশুকে ন্যূনতম সুবিধাটুকু দিতে পারে না সেই দেশে শিশুটির বাঁচার প্রয়োজন কী!

খালেদা জিয়ার বক্তব্য হিন্দি ছবিকেও হার মানিয়ে দিয়েছে। নামটা ভুলে গেছি, চমৎকার একটা মুভি দেখেছিলাম, এক কথায় মুগ্ধ হওয়ার মত কিন্তু শাহরুখ খান যখন রিকশা নিয়ে ফোর হুইল ড্রাইভ গাড়িকে ধাওয়া করে নাকানি-চুবানি খাইয়ে দিলেন তখন আমি মনে মনে বলেছিলাম, আরে, এ তো হিন্দি মুভি, ছাপ যাবে কোথায়!
খালেদা জিয়া এজেন্সির নাম বলেননি কিন্তু আমার জানার সুতীব্র ইচ্ছা। অন্যত্র এটাও পড়েছি, খালেদা জিয়া এটাকে হো মো এরশাদের সময়কার মিছিলে ট্রাক উঠিয়ে দেয়ার সঙ্গে তুলনা করেছেন। অর্থাৎ এরশাদ ট্রাক উঠিয়ে দিয়ে সমাবেশ পন্ড করেছেন আর এই সরকার রেলগাড়ি উঠিয়ে দিয়ে।
ওয়াল্লা, আমি এতোদিন জেনে এসেছি, রেলগাড়ি চলে রেল লাইনের উপর দিয়ে এখন দেখছি এটা ট্রাকের মত ডানে-বাঁয়ে, যখন যেখানে ইচ্ছা যেতে পারে! বাংলাদেশ কবে এমন রেলগাড়ি আবিষ্কার করল? এই পদ্ধতিটা পৃথিবীময় রফতানি করে বিস্তর টাকা কামানো সম্ভব।

কোন হিন্দি ছবির পরিচালকও এই আইডিয়া নিয়ে ছবি করার সাহস দেখাবেন কি না এই নিয়ে আমার ঘোর সন্দেহ আছে। অবশ্য খালেদা জিয়া নিজের খরচে মুভি বানালে কেউ আপত্তি করবে বলে মনে হয় না। খালেদা জিয়ার এটা বলার পেছনে হয়তো এর প্রভাবও থাকতে পারে, তিনি হিন্দি সিরিয়াল আগ্রহ নিয়ে দেখতেন, এখনও দেখেন কি না এটা অবশ্য জানা নাই।
"...স্টার প্লাস ও সনি টিভির বেশ কয়েকটি সিরিয়াল তিনি নিয়মিত দেখে আসছিলেন। তার প্রিয় সিরিয়ালগুলোর মধ্যে, 'কাভি সাস ভি বাহু থি' এবং 'কাসৌটি জিন্দিগি কি' ইত্যাদি। পূর্বেও তিনি নিয়মিত হিন্দি সিরিয়াল দেখতেন..."। (সাপ্তাহিক ২০০০, বর্ষ ১০/ ০৩.০৮.০৭)

ছবি ঋণ: সাইফুল ইসলাম, প্রথম আলো
এটা তো গেল নেতাদের কাহিনী, আমাদের কাহিনী কি?

আমরা এই কাজটা খুব ভালো পারি, আগুন ধরিয়ে দিতে, ভাংচুর করতে। রোগী মারা গেছে হাসপাতালের যন্ত্রপাতি ভেঙ্গে ফেল। পরীক্ষা পেছাতে হবে চুরমার করে ফেলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কোন ঝামেলা হয়েছে তো গুড়িয়ে দাও একের পর এক গাড়ি!
এই দুর্ঘটনায় যে প্রাণ নষ্ট হয়েছে এতে আমাদের হাত ছিল না কিন্তু যে সম্পদ বিনষ্ট হলো এটা অবশ্যই আমাদের এখতিয়ারে পড়ে।

আমরা বড়ো বিচিত্র জাতি, আমরা এটা একবারএ ভেবে দেখি না যে সম্পদ বিনষ্ট করছি এটা আমাদের ঘামে-রক্তে সিক্ত কষ্টার্জিত ট্যাক্সের টাকায় অর্জন করা। এই ট্রেনের যে বগিগুলোয় আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে এই বগিগুলো আবার চলাচলের উপযোগী না হলে আমাদের বগি আরও কমে গেল। এমনিতেই আমাদের দেশে ইঞ্জিন-বগির প্রচুর স্বল্পতা। কেন? এই কুতর্কে এখন আর যাই না- আমরা বগি বাড়াবার চেয়ে ৫০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে এয়ারপোর্ট করাটা জরুরি মনে করি। কারণ আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ হাওয়াই জাহোজে চাপতে পছন্দ করেন।

ইন্টারসিটি ট্রেনে যত যাত্রী বসার সুযোগ পান প্রায় তত যাত্রী টিকেট কেটে দাঁড়িয়ে থাকেন অথচ প্রত্যেকটা ট্রেনের সঙ্গে ৪/৫টা বগি জুড়ে দিলে এই প্রকট সমস্যা অনেকখানি লাঘব হয় কিন্তু ওই যে বললাম, বগির স্বল্পতা।
ক-দিন আগে আমি যে ট্রেনে জেলা শহর থেকে ফিরছি এটার নাম হচ্ছে 'নাসিরাবাদ এক্সপ্রেস'। এটা জগন্নাথগঞ্জ ঘাট থেকে চট্টগ্রামে আসা-যাওয়া করে। আমার যাত্রা অতি অল্প সময়ের জন্য, মিনিট বিশেকের- ব্রাক্ষ্ণণবাড়িয়া থেকে আখাউড়া ফিরব। এই ট্রেনটা  জগন্নাথগঞ্জ থেকে ছাড়ে রাত ২টায়, চট্টগ্রামে পৌঁছে পরের দিন রাত ১১/১২টার আগে না।
সব মিলিয়ে এটার বগির সংখ্যা চার। পা ফেলার জায়গা নেই। কেমন করে উঠব এটা নিয়ে ভাবছিলাম। ভাবাভাবির আর সুযোগ পাওয়া গেল না, পেছন থেকে ধাক্কা খেতে খেতে আবিষ্কার করলাম আমি ট্রেনের ভেতরে! বসা দূরের কথা, দাঁড়াবার জায়গাই নেই। খোদার কসম, আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিল, মনে হচ্ছিল শ্বাস ফেলতে পারছি না! এক ফোঁটা বাতাস নেই!


এরিমধ্যে দেখি এক মহিলা শিশু কোলে নিয়ে, তার পাশের আত্মীয় একজনকে ঝাঁঝালো গলায় বলছেন, 'ছাওয়াল (বাচ্চা) বড়ো না হইলে আর বাইত (বাড়ি) যাইতাম না'।
আলাপ করে জানা গেল এই মানুষটা জগন্নাথগঞ্জ থেকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আসছেন, যাবেন চট্টগ্রাম। বিশ মিনিটের যাত্রায় আমি আমার নিজের কষ্টের কথা ভেবে লজ্জিত হলাম। এই মানুষটা শিশুকে কোলে নিয়ে প্রায় এক দিন ট্রেনে থাকবেন! ভাবা যায়! এই শিশুটি চট্টগ্রাম পৌঁছা পর্যন্ত বেঁচে থাকে তাহলে আমি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছি, এই শিশু এই গ্রহের যে-কোন জায়গায় সারভাইভ করতে পারবে। এমন কি একে অক্সিজেন ব্যতীত চাঁদে হাঁটাহাঁটি করতে দেখা গেলেও অন্তত আমি অবাক হবো না। এটা সম্ভবত আমাদের দেশেই সম্ভব- এমন অফুরন্ত প্রাণশক্তি আর কোন জাতির আছে? এই মানুষটা যাত্রাকালীন কষ্টের কথা ভেবে বাচ্চা বড়ো না-হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে যাবেন না বলে পণ করেছেন।

একটা দেশ তার সন্তানকে বাড়িতে যাওয়ার ন্যূনতম সুবিধাটুকুও দিতে পারছে না। মানুষটা ক্রমশ সরে যাবে শেকড় থেকে দূরে। একজন মানুষ যখন শেকড়ের কাছ থেকে ক্রমশ দূরে সরে যেতে থাকেন তখন এর ফল সহজেই অনুমেয়। শেকড় থেকে দূরের মানুষরা ক্রমশ পরিণত হন রোবটে। আসলে মানুষ তো রোবট হতে পারে না, মানুষ পরিণত হয় রোবো-পশুতে। এই দেশে জন্ম নিচ্ছে অসংখ্য 'রোবো-পশু'। আমাদের দেশের সিস্টেমই এমন, কত বিচিত্র উপায়ে মানুষ থেকে অতি দ্রুত অসংখ্য 'রোবো-পশু' সৃষ্টি করা যায়। এই জন্য আমাদের নেতারা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েই যাচ্ছেন!
...
আপডেট: ১৩ অক্টোবর, ২০১০
আমি গভীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছিলাম, খালেদা জিয়ার এমন উদ্ভট মন্তব্যের পর আমাদের প্রধানমন্ত্রী তার প্রতিক্রিয়ায় কি বলেন, এটার জন্যে।
লেজার-গান দিয়ে যখন কেউ চড়ুই পাখি শিকার করেন তখন দীর্ঘ শ্বাস ফেলা ব্যতীত আর কী-ই বা করার থাকে! এমন মন্তব্য করে অজান্তেই খালেদা জিয়া শেখ হাসিনার হাতে লেজার-গান তুলে দিয়েছিলেন। শেখ হাসিনা এর ব্যবহার করলেন এমন করে? তিনি বলেছেন, "যমুনা রিসোর্টে তাঁরা অপেক্ষা করছিলেন লাশের জন্য?...সিরাজগঞ্জের ট্রেন দুর্ঘটনার জন্য বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে দায়ী করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ওনার এখন ইস্যু দরকার। আর সে ইস্যুর জন্যই তিনি এখন খুনখারাবিতে লেগে গেছেন এবং রক্ত ঝরাতে শুরু করেছেন।...। (প্রথম আলো, ১৩ অক্টোবর, ২০১০) [২] 

অথচ প্রধানমন্ত্রী সুচিন্তিত মন্তব্য করে খালেদা জিয়াকে শুইয়ে ফেলতে পারতেন। তিনি এজেন্সিটার নাম জানতে চাইতে পারতেন। বলতে পারতেন, এই পৃথিবীর যে-কোন প্রান্ত থেকে সুস্থ একজন মানুষকে এনে জিজ্ঞেস করুন, বাস্তবে এটা সম্ভব কি না? কিন্তু তিনি তাঁর স্বভাবসুলভ পদ্ধতিই বেছে নিলেন। কপাল, এই-ই আমাদের নিয়তি!
একজন পাঠকের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আমি যেটা বলেছিলাম, সেটা আবারও বলি, নিজের পায়ের চটি খুলে নিজের কপালে মেরে বলতে ইচ্ছা হয়, হে প্রভু, আমাদের কী অপরাধ! এই দেশের নেতৃত্ব দেয়ার জন্য কি আর কাউকে খুঁজে পাওয়া গেল না? কেয়ামতের আগ পর্যন্ত কি এরাই আমাদের নেতা থাকবেন?

সহায়ক লিংক:
১. প্রথম আলো: http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-10-11/news/100598 
২. প্রথম আলো: http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-10-13/news/101012

3 comments:

Kishan said...

জনাব, আমি জানি না আপনি কি প্রো-আও্যামী লীগ কি না তবে আপনি যখনি বিএনপি এর মূর্খামীর কথা বললেন, তখন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কি বললেন এটা উল্লেখ করলেই মনে হই ব্যাপারটা জাস্টিফাইড হত। ঊনারা দুইজন ই মূর্খ, খালি একজনের কথা বল্লে অন্যায় হয়ে যায় না?
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-10-13/news/101012
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-10-13/news/101015

।আলী মাহমেদ। said...

"আমি জানি না আপনি কি প্রো-আও্যামী লীগ কি না..."
প্রো-প্রা-প্রি, আপনাদের এই সব গালভরা কথা কম বুঝি। সাদাকে সাদা বলব, কালোকে কালো, দ্যটস অল। কে কোন দলের এতে আমার কী আসে যায়!
আপনি যখন জানেন না, আমি প্রো না প্রা, তখন এই ভাবনাটা প্রকাশ না-করাটাই সমীচীন ছিল!

যখন আমি এই লেখাটা লিখেছি তখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া আমার জানা ছিল না। নাকি আপনার ধারণা একটা মানুষ সব কাম-কাজ ফেলে ২৪ ঘন্টা অন-লাইনে বসে থাকবে? আর আমি তো পত্রিকা অফিস না!

এটা আমি আজই পত্রিকায় পড়েছি। আপনি এই মন্তব্য না করলেও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে আমি লিখতাম এবং নিজের কপালে চটি দিয়ে দু-চার ঘা লাগিয়ে বলতাম, হে প্রভু, আমাদের কি অপরাধ? এই দেশটা চালাবার জন্য কেন তুমি কেবল এঁদেরকেই বেছে নিলে!

এই পোস্টেই আজকের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আমার প্রতিক্রিয়া যোগ করে দিচ্ছি। সময় থাকলে পড়ে নেবেন।

ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। @Kishan

Anonymous said...

Cut my shit