Tuesday, March 3, 2009

শেকলগুলো ভেঙ্গে পড়ছে একেক করে

'মা হাতি'-তে লিখেছিলাম, 'মানুষদের বড় মজা, এরা ইচ্ছা করলেই মানুষ থেকে চট করে অমানুষ হয়ে যায়। পশুদের বড় কষ্ট, এরা না হতে পারে মানুষ, না হতে পারে পুরোপুরি পশু'।

ঠিক কোথায় লিখেছিলাম মনে পড়ছে না। কথাটা ছিল এমন,
'আমাদের প্রত্যেকের ভেতর বাস করে একটা শিশু এবং একটা পশু। হরদম এদের মধ্যে মারামারি লেগেই আছে। পৃথিবীর সব মহামানবদের একটাই চেষ্টা থাকে এই পশুটাকে বের হতে না দেয়ার যথাসম্ভব চেষ্টা, জিততে না দেয়া'।
বিভিন্ন পদের শেকল এই পশুটাকে আটকাবার জন্য- একেকজনের জন্য একেক পদের শেকল। কারও জন্য শিক্ষা-ধর্ম-প্রিয়মানুষ-সামাজিক মর্যাদা; যার জন্য যে শেকল খাপ খায়।

সামরিক নামের মানুষগুলোকে কেবল খুনই করা হয়নি। বীভত্স করা হয়েছে, স্যুয়েরেজ লাইনে ফেলে দেয়া হয়েছে, পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। তাদেঁর পরিবারের সঙ্গে এমন কোন অন্যায় নাই যা করা হয়নি। কেন? এর উত্তর খুঁজছি। কেন এমনটা হল? আমরা কী দিনে দিনে আরও পশু হচ্ছি। ক্যু, অন্য মৃত্যুর নামে আমরা অনেক মেধাবি টগবগে যুবককে দেখেছি লাশ হয়ে যেতে। সব ঘটনা আমরা জানি না। সেগুলোও কম রোমহর্ষক ছিল না কিন্তু এমনটা হয়নি। মৃতদেহকে এমন অসম্মান করা হয়নি। জানি না, মনোবিদরা এর উত্তর ভাল বলতে পারবেন।

আমার অল্প জ্ঞানে খানিকটা বুঝি। আফসোস, এই দেশে যখন একজন মানুষকে ১৪৯ টুকরা করা হয় তখন আমরা অপরাধিকে সময়মত ধরতে পারি না। আমাদের চৌকশ মনোবিদদের দিয়ে ওই মানুষটার মস্তিষ্ক খুঁটে খুঁটে দেখা হয় না কেন এই মানুষটা এমনটা করল- তার শৈশব, শিক্ষায় কী গলদ ছিল? আহারে দরিদ্র দেশ- আমাদের ভাবনাগুলোও দরিদ্র হবে এ আর বিচিত্র কী!

যে পশুমানবরা একটি শিশুকে (খোদেজা) পৃথিবীর চরম নির্যাতন করে মেরে ফেলে এবং তার জানাজায় অংশগ্রহনও করে; প্রচলিত আইনের বিচারে ওই পশুমানবের ফাঁসি হয়। কিন্তু এই মানুষগুলো কেন এমন করল এটা জানার অবকাশ আমাদের কই! আহারে, দরিদ্র দেশ- সময় কই আমাদের?

ফাঁসির আসামি প্রেসিডেন্টের ক্ষমা পেয়ে যান, নির্বাচন করেন। আমরা গিয়ে ঘটা করে আবার তাকে ভোট দেই!
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্র অন্য ছাত্রকে গুলি করে মেরে ফেলে, কাটা কব্জি নিয়ে উল্লাস করে। আমরা বিভিন্ন রং গায়ে মেখে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ বছরে ৭৪টি হত্যাকান্ড হয়েছে। মাত্র একটির সাজা হয়েছে, জরিমানা ১০ টাকা। ওই আগের কথাটাই বলি, লাগাবেন ধুতুরা গাছ, ধুতুরা ধরবে না কেন?

অন্য প্রসঙ্গ। জাস্ট রুপকার্থে বলছি, আমাদের শিক্ষায় আসলে গলদ আছে। আজকের শিক্ষাই আগামিতে যা হওয়ার তাই-ই হয়, ধুতুরা গাছে ধুতুরাই ধরে!
'চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ৪/৫ তারিখের ফাইনাল পরীক্ষা পিছিয়ে দেয়া হয়েছে কারণ একজন প্রতিমন্ত্রী মহোদয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি থাকবেন বলে। আরেক মহোদয় উপাচার্য অধ্যাপক সাহেব আবার ঘটা করে জানিয়েছেন, 'মন্ত্রী মহোদয় ব্যস্ত থাকায় পরীক্ষা পেছানো হল'। (প্রথম আলো, ০২.০৩.০৯)
তো, এই উপাচার্য মহোদয় যা শেখাবেন হাজার-হাজার ছাত্র তাই শিখবে! এই ছাত্ররাই পরবর্তিতে বিভিন্ন মহোদয় হবেন। আমাদের মাথার উপর বনবন করে ছড়ি নাচাবেন এবং আরও বিচিত্রসব ঘটনার জন্ম দেবেন। তখন এ নিয়ে অবাক হয়ে নির্বোধের মত কেন প্রশ্ন করা হবে?
আজব দেশ, শিক্ষকদেরও দল আছে লাল দল নীল দল, সাদা দল! মুসুল্লিরা যখন জুতাজুতি করেন আমরা আবাক হই কেন, এদের দল থাকতে নেই বুঝি? কমলা দল, কালো দল...!

তবলার ঠুকঠাক থাকুক। আমার চোখে এখনও ভাসে সেই ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের পরিচালক গুলজার উদ্দিন আহমেদ নামের মানুষটার দুর্ধর্ষতা, বিচক্ষনতা- যিনি ছিলেন একাই একশ। শায়েখ আ. রহমান, সানিসহ অজস্র দানবকে হাড়ে হাড়ে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন আইনের হাত কত লম্বা। সাধারণ সৈনিকের পাশে দাঁড়িয়ে সিংহাবলোকনন্যায় লড়েছেন। মাত্র এক সপ্তাহও হয়নি বিডিআরে জয়েন করেছেন। এই মানুষটা কী অপরাধ ছিল?
এমন একটা মানুষ কোটি টাকা খরচ করেও তৈরি করা যায় না! এই মানুষটা যখন ভেতর থেকে সাহায্যের জন্য হাহাকার করছিলেন তখন বুঝতে হবে প্রলয় চলে এসেছে। বারবার বলা হচ্ছিল সাহায্য আসছে।
এটা আমরা বেসামরিক মানুষদের বুঝতে বেগ পেতে হয় বৈকি। ধারেকাছেও হবে না তবুও বেসামরিক একটা উদাহরণ দিয়ে বোঝাবার চেষ্টা করি, একজন অসম্ভব মর্যাদাবান মানুষ যখন পেটের ক্ষিদায় হাত পাতে তখন কেমন লাগে?

টক-শোতে ধোঁয়া উঠা কাপে চুমুক দিতে দিতে অনেকের অনেক কপচানি শুনেছি, লম্বা লম্বা বাতচিত। কিন্তু ২৫ তারিখে কেউ বলছেন না ভেতরের এত আর্মি অফিসারদের কী অবস্থা! এতসব বিবেক-জাগানিয়া মানুষরা কেমন করে এটা বিস্মৃত হলেন! আহা, শোককে যে শক্তিতে পরিণত করতে হবে। শোককে শক্তিতে পরিণত শুনতে বেশ লাগে!

একজন বললেন, আর্মির নাকি ২ ঘন্টা সময় লাগত পৌঁছতে।
আমি সামরিক বিশেষজ্ঞ নই কিন্তু অল্প জ্ঞানে যা বুঝি, এত সময় লাগলে সশস্ত্রবাহিনী থাকার আবশ্যকতা কী! বিমানবাহিনির ব্যাক-আপ ছিল না?

এইসব বাদ দিলেও কিছু প্রশ্নের উত্তর আমাদের জানা হবে না কখনও।
১. সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা বা এভাবে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ভেতরের আসল তথ্য জানা ছিল কী বা জানানো হয়েছিল কী?
২. ক্ষমা ঘোষণার সময় বা পরে জানতে চাওয়া হয়েছিল কী অফিসাররা কোথায়?
৩. অস্ত্র জমা হওয়ার জন্য সময় বেঁধে দেয়া হল না কেন?
৪. অস্ত্রগুলো কে জমা নেবে, হিসাব মেলাবে? এটা ঠিক করা হয়েছিল কী?
৫. পাওয়ার ছিল না কেন? প্রয়োজনে সমস্ত দেশ অন্ধকার রেখেও আলোর ব্যবস্থা করা হল না কেন? বা বিকল্প চিন্তা মাথায় আসেনি কেন?
৬. এতগুলো মানুষ পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেল কেন? সমস্ত এলাকা কর্ডন করে রাখা হল না কেন? আমি শপথ করে বলতে পারি, যেসব অস্ত্র খোয়া গেছে তার সবগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হবে না। প্রকারন্তরে আমরা অরক্ষিত হয়ে গেলাম।
অনেক প্রশ্ন কিন্তু উত্তর নাই।

যাই হোক, আজ মানুষ হিসাবে নিজেকে আমার বড় পোকা-পোকা মনে হচ্ছে।
সেনাবাহিনির এতসব চৌকশ মানুষ, তাদের প্রিয়মানুষরা আজ চরম দুর্দশায় এতে অনেকে উল্লসিত হয় কেমন করে! অনেককে দেখছি তিনি সদম্ভে ঘোষনা দিচ্ছেন, আমি শোকাহত না। পিএইচডি করা একজন বলছেন, এরা টাকা লোপাট করেছে।
বাহ, বেশ তো! লোপাট করে থাকলে তার বিচার চান কিন্তু এখনকার এই নৃশংস খুনের সঙ্গে এর কী সম্পর্ক?


আসলে সামরিক মানুষদের প্রতি বেসামরিক মানুষদের ক্ষোভের উত্স কোথায় এটা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে আজ। কারণ আমি তাঁদের এমন চরম বিপর্যয়ে তাদেঁর নিয়ে যেসব মন্তব্য শুনেছি, পড়েছি আমাকে ভাবাচ্ছে- মানুষ হিসাবে নিজেকে অসহায় মনে হচ্ছে।

আমি অতশত বুঝি না। যেসব বেসামরিক মানুষ, বিডিআরের নিদোর্ষ সৈনিক, সামরিক অফিসার সবার জন্যই কাঁদব (মৃত বুড়া রিকশাওয়ালাটার জন্যও)- সবার জন্যই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেব, এর ব্যতয় হবে কেন! এই কান্নাটা কী সামরিক না বেসামরিক এটা বিচার করতে যাব কেন?


এমনিতে আমরা বেসামরিক মানুষদের বেশ মজা। নিজেদের কোন বিপদ দেখলেই আর্মি ডাকি। নির্বাচন হবে, ত্রাণ দিতে হবে, ট্রাফিক কন্ট্রোল করতে হবে, বন্যায় ভেসে যাওয়া মানুষ উদ্ধার করতে হবে, কাউকে টাইট দিতে হবে; বোলাও আর্মি। অপ্রতুল ত্রাণ, কেউ ত্রাণ পেল না তো কষে গালি দাও আর্মিকে। আমারা ভুল-ভাল গাড়ি চালাচ্ছি, আর্মি আটকে দিল; ব্যস। আচ্ছা করে গোটা আর্মিকে উদ্ধার কর। নির্বাচনে ব্যালট বক্স লুট হবে আর আর্মি তো আর বসে বসে চুইংগাম চিবুবে না।

পাশাপাশি এদের কী বাড়াবাড়ি নাই। যে আর্মি নামের মানুষটা কেবল হেলমেট না-থাকার কারণে প্রকাশ্যে স্ত্রীর সামনে যে স্বামীটিকে কান ধরে উঠবস করিয়েছেলেন তিনি যে কী অপুরণীয় ক্ষতি করেছিলেন এটা বোঝার মত ক্ষমতা যদি এদের থাকত। আমার স্পষ্ট মনে আছে, অপারেশন ক্লিনহার্টের সময় ফুল হাতা শার্ট গুটিয়ে রাখা যেত না
- কেউ তার নিজের দোকানে পা তুলে বসতে পারত না। তো, এইসব অতিশয়োক্তি করে দুরত্বটা বাড়েই কেবল। এও ক্ষোভ আছে, আদিবাসিসহ অনেকের মৃত্যু নিয়ে অস্পষ্টতা, যা অনেকের মনে আঁচড় কেটে আছে।

কিন্তু এঁদের কাছ থেকে আমাদের কী কিছুই শেখার নাই? শিখতে চাইলে অনেক কিছু থেকেই শেখা যায়। ছবিটা একটু ভাল করে লক্ষ করুন, প্রধানমন্ত্রী এবং সেনাপ্রধানের পেছনে বসার অতি সাধারণ চেয়ারগুলো দেখুন!
অথচ সাধারণ আমলাদেরও দেখেছি রাজকিয় চেয়ার না হলে পশ্চাদদেশ আরাম পায় না।

কাল সামরিক বাহিনির জানাজায় শুনলাম, মাওলানা সাহেবকে বলা হচ্ছে, ধর্মিয় শিক্ষক। মেসেজটা পরিষ্কার; ধর্মিয় বিষয়ে তিনি টিচার, অতি সম্মানিত এবং এই বিষয়ে চিফ।

আমার জানামতে, সামরিক বাহিনিই একমাত্র বাহিনি যাদের শপথ নিতে হয় কোরান ছুঁয়ে। আকাশ-পানি-পাতাল যেকোন জায়গায় প্রয়োজনে যেতে হবে তাকে, ভাবাভাবি একপাশে সরিয়ে রেখে।

সেনানিবাসে মেন্যু সবার জন্য এক।
এখান থেকে কী আমাদের শেখার কিছু নেই? সিপাহি যা খাবে সেনাপ্রধানও তাই। যেদিন খিচুরি রান্না হবে সেদিন সবার জন্যই খিচুরি- কারও গেস্ট থাকলে তাকেও তাই দেয়া হবে। আপনি যদি মনে করেন, আপনার গেস্টকে তা খেতে দেবেন না তাহলে বাইরে থেকে অন্য ব্যবস্থা করতে হবে।

আমার ধারণা, এই উদ্ধারকাজ আরেকটু সহনীয়ভাবে করা প্রয়োজন ছিল এবং তামাশা দেখার জন্য লোকজনদের সরিয়ে দেয়া জরুরি ছিল, ছবি তোলার ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করাও দরকার ছিল। যেসব ছবি ছাপা হয়েছে, ওয়েবে এসেছে এগুলো দেখার আগে মরে যেতে ইচ্ছা করে। মনে মনে বলি, হে প্রভু, কেন এমন গরিব দেশে গরিব রুচি নিয়ে জন্ম নিলাম। হটেনড জাতি হলেই বা কী দোষ ছিল- পরাজিত শত্রুর মাংস খেতে খেতে আলোচনা করতাম, মাংসটা ভালভাবে রান্না হয়নি।

শিক্ষাটা খুব জরুরি। সেটা বাংলা-ফার্সি-আরবি সেই কুতর্কে যাই না। এই ছবিটা দেখুন।
এখানে আমাদের দেশের চিকিত্সা বিভাগের তাবড় তাবড় সব পরফেসর(!) সাহেবরা রয়েছেন। এদের চকচকে জুতা আর এই বিবর্ন হাড়গুলোর মধ্যে কোনটা ছেড়ে কোনটা দেখি- চকচকে জুতাই 'দৃষ্টিনরম'-'চোখআরাম'! এই হাড়গুলো কিন্তু কুকুর বেড়ালের না, একজন মানুষের। বিস্তারিত বলে সময় নষ্ট করি না। বিস্তারিত এখানে:
লিংক:

মৃতদেহের প্রতি সম্মান করা আমরা শিখব কেমন করে? যে হিংস্রতার সঙ্গে মানুষগুলোর ছবি দেখানো হয়েছে। আজ অমর্যাদার সঙ্গে যে সামরিক মানুষটার বুটসহ পা অনাবশ্যক জোরে টানতে গিয়ে মাংসসহ বুটটা খুলে এসেছে, মানুষটা মাইলের পর মাইল হেটেছে এই বুট দিয়ে। ট্রেনিং-এর সময় একজন সৈনিকের চেয়ে অফিসারকে হাঁটতে-দৌড়াতে হয় বেশি। সহজ যুক্তি, অফিসার নিজে ফিট না থাকলে সৈনিককে ফিট রাখবেন কেমন করে।
আমার বুকের ভেতর থেকে অজানা কষ্ট পাক খেয়ে উঠে, কত কষ্টসাধ্য ট্রেনিং। অসহনিয় তীব্র শীতে এই অফিসার ক্লান্তিতে শুয়ে পড়েছেন কোন এক খড়ের গাদায়। ভোরে কৃষক দেখে কী অবাকই না হয়, অরি আল্লা, আমরি (আর্মি) দেখি; আহারে, কার না কার ছেইলা (ছেলে)। কৃষকের মনটা অন্য রকম হয়- কৃষক হলে বাবার অনুভূতি থাকতে নেই বুঝি।
কৃষকটা এক খাবলা সরষের তেল নিয়ে আসে; মায়া মায়া গলায় বলেন, বুকে মালিশ করেন, ঠান্ডা লাগব।


ফ্রিডমে Martin Niemoller-এর ধার করা কথাটা শেয়ার করেছিলাম, আবারও করি:
"...First they came for the jews. I was silent. I was not a jew. Then they came for the communists. I was silent. I was not a communist. Then they came for the trade unionists.
I was silent. I was not a trade unionist. then they came for me. There was no one left to speak for me".

আমার শেকলগুলো ভাঙ্গছে একেক করে- আমিও তো এই কালচারেই বড় হয়ে উঠা মানুষ।
আসল পশুটা তো থেকে যায় সব আইনের বাইরে, তার কেশাগ্র স্পর্শ করার ক্ষমতাও কারও নাই। সেই পশুটা ঘাপটি মেরে বসে থাকে পরবর্তি শিকারের অপেক্ষায়। তার পরবর্তি শিকার যে আমি নিজেই না তার কী নিশ্চয়তা আছে? সত্রাসে থেকেও আশায় বুক বাঁধি পশুটি আমার নাগাল পাবে না।


অনেক কথার পুনরাবৃত্তি হবে যেগুলো আগের পোস্টে বলার চেষ্টা করেছি: দানবের হাতে ক্ষুর