Tuesday, January 6, 2009

অন-লাইনে লেখালেখি হচ্ছে গণিমতের মাল!

'খোদেজা' নামের একটা উপন্যাস আছে আমার।
এই উপন্যাসের খানিকটা-অংশবিশেষ, একজনের অনুরোধে আমার সাইটে পোস্ট করেছিলাম। খোদোজার অংশবিশেষ

হুবহু এই লেখাটি, দাঁড়ি-কমাসহ 'যৌবনযাত্রা' নামের সাইটে পোস্ট করা হয়েছে- অহেতুক, কোন কারণ ছাড়াই। মূল আবেদনটাই অন্য রকম হয়ে গেছে- খোদেজা উপন্যাসটা হচ্ছে ১টা শিশুর উপর চরম নির্যাতন নিয়ে

লিখিত দূরের কথা নিদেনপক্ষে মৌখিক অনুমতি নেয়ারও প্রয়োজন বোধ হয়নি। (অথচ আমার সাইটে আমি স্পষ্ট সতর্কবাণী দিয়ে রেখেছি, আমার লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন লেখা বা এর অংশবিশেষও কোথাও প্রকাশ করা যাবে না।)
গুগলে আমার নাম দিয়ে সার্চ দেয়ায় বিষয়টা চোখে পড়ল নইলে জানতেই পারতাম না এমন হার্মাদের (ছিনতাইকারীর সফট ভার্সন)
'হার্মাদী'!

এমন অর্বাচীন আচরণের জন্য তীব্র নিন্দা।

নিয়তির হাত থেকে পালাতে পেরেছে কে!

আমরা নিতান্ত অনিচ্ছাসত্বেও সিন্দবাদের ভূতের মত বছরের পর বছর ধরে বয়ে বেড়াচ্ছি একজন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে। দুর্বল হৃদপিন্ডের একজন মানুষ, যার হৃদপিন্ডের মেরামতে ব্যয় হয়েছে আমাদের গাঁটের টাকা, প্রায় ২ কোটি।
অথচ দেশে নাকি আন্তর্জাতিক মানের সব হাসপাতাল- এরা সম্ভবত দুর্বা ছাটাই করে। ইয়াজউদ্দিন আহম্মদের দুর্বল কোমরের কথা বলে আর স্পেস নস্ট করি না। ইয়েস-ইযেস, ইয়েসউদ্দিন তো এমনি এমনি খেতাব জোটেনি, কত কাঠ-খড়ই না পোড়াতে হয়েছে!
কেবল আফসোস, ইয়াজউদ্দিন আহম্মদ নামের এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বাংলা ভাষাটা শুদ্ধ করে বলতে পারেন না, এই লজ্জা কোথায় রাখি?

এখন শুনতে পাই অতি ভংকুর জিল্লুর রহমান সাহেব রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন। হায় কলিকাল-হায় নিয়তি। এই মানুষটা বিড়বিড় করে কীসব যে বলেন, ইন্টারনেটের কসম, একটা শব্দও যদি বুঝতাম।

রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে মার্চ-পোস্টে ইনি সালাম টালাম কেমন করে নেবেন, চিন্তায় আছি। আচ্ছা, হুড খোলা জিপে কী সীট-বেল্ট বেঁধে দাঁড় করিয়ে রাখার উপায় চালু আছে, থাকা প্রয়োজন।
থাকলেই বাচোঁয়া, নইলে ভারী বিব্রতকর ব্যাপার হয়ে যাবে যে...!