Monday, November 3, 2008

এক লালচওয়ালার খপ্পরে

আমি মানুষটা বেশ লালচি!
প্রবাসে আমার যেসব সুহৃদরা থাকেন, এরা দেশে ফেরার আগেই আমার খপ্পরে পড়েন। আমি অম্লান, নির্বিকার ভঙ্গিতে অনায্য দাবীতে বলি: দেখিয়েন, খালি হাতে আমার এখানে আসিয়েন না কিন্তক।
বেচারা-রা আ আ, কী আর করবেন, মুখ লম্বা করে, লজ্জার মাথা খেয়ে আমার জন্য কিছু না কিছু নিয়ে আসেন।



মাহবুব সুমন:
ইনার ধারণা, আমি একজন দুর্ধর্ষ শিকারি। অস্ট্রেলিয়া থেকে বয়ে নিয়ে আসলেন 'বুমেরাং'। হায় খোদা, আমি তো পিপড়াও মারতে পারি না, শিকার করব কী!


আনোয়ার সাদাত শিমুল:
ইনার ধারণা, আমি নাকি কলমযোদ্ধা- দুই কলম লেখার এই ফল! একদা ৩ টাকার কলম নিয়ে কস্তাকস্তি করতাম দেখে হয়তো তার ধারণা জন্মে গেছে আমি কলম-মারকুটে! তাই কী ব্যাংকক থেকে এক দুর্ধর্ষ যোদ্ধার প্রতিমূর্তি নিয়ে এলেন। দেখো দিকিনি কান্ড, এই যোদ্ধার নাকই তো চার কলম!



বাবু:
এই মানুষটাকে সরকার একের পর এক ট্রেনিং দিয়েও রোবট বানাতে পারেনি। যে মানুষটার একটা ফোনে সরকারি কোষাগারে জমা হয় কোটি-কোটি টাকা, সেই মানুষটারই কিনা কাঁচা কটা আম ভেট পেয়ে সবগুলো দাঁত বেরিয়ে পড়ে।
হা ঈশ্বর! কিন্তু কঙ্গোর এই মহিলার...। লালচি থেকে লো...। রাম-রাম!




মাহবুবুল হুদা:
কট্টর এই মুসলমানের দেখার চোখটা বড় ঝকঝকে-স্বচ্ছ! নইলে কী আর আমাদের দেশের সবচেয়ে চালু মূর্তিপুজার প্রসঙ্গ একপাশে সরিয়ে এটা দেন!


সাদিক মো: আলম:
বিচিত্র এই মানুষ ততোধিক বিচিত্র তার আচরণ- সিংগাপুর থেকে নিয়ে এসেছিলেন এই সিংহাসন কিন্তু এটায় বসার উপায় নেই!



2 comments:

Aumit Ahmed said...

কালেকশনে তো বেশ ভালো ভালো জিনিস জমা পড়েছে :D

।আলী মাহমেদ। said...

কালেকশন বাড়ার অপেক্ষায় আছি...।