Thursday, June 28, 2007

ইলেকট্রনিক পত্রাঘাত: ১

হা হা হা। আমার সম্বন্ধে ভালো বলেছেন শিশুর মতো…হা হা হা? বেশ বলেছেন যা হোক। দুনিয়ায় আর লুক(!) পাইলেন না? শোনেন, আমারও আছে অনেক অন্ধকার দিক- আমার মধ্যেও লুকিয়ে আছে একটা শিশু এবং একটা পশু। শিশু এবং পশুটার মধ্যে মারামারি লেগেই আছে হরদম। কখনও এ জেতে, কখনও ও জেতে- এই হচ্ছে বাস্তব আবস্থা!

তবে এটা ঠিক আমি আমার পশুটার বিষয়ে সচেতন। যখন পশুটা বেরিয়ে আসে ভারী বিমর্ষ হয়ে যাই, নিজেকে তখন পোকা পোকা মনে হয়! নিজের চোখে চোখ রাখাই দায়! শোনেন, আমি জটিল কথা বুঝি না- বুঝি না আমার জ্ঞান বহির্ভূত কোন জ্ঞান। অল্প কথায় বুঝি, একজন মানুষ এই প্রকৃতিরই অংশ, জাঁক করে বলা চলে প্রকৃতির সন্তান। তো, একজন প্রকৃতির সন্তানের বিপুল ক্ষমতা। তার মতো করে অনায়াসে সাজিয়ে ফেলে প্রকৃতি এবং তার সহ-সন্তানদের।
দেখেন না, একজন পছন্দের মানুষ সামান্য একটু ছুঁয়ে দিলে আমূল পরিবর্তন হয়ে যায়, কেন? এর কিছু রহস্য আমরা জানি, অনেকাংশই জানি না। আবার কেউ কেউ অনেকাংশটা জানেন, অন্যরা জানেন না।

প্রাসঙ্গিক বিধায় একটা প্রসঙ্গ শেয়ার করি। একজন মানুষ যখন মারা যাচ্ছিল তখন আমার হাত ধরে ছিল। আমার চোখের ভাষা বুঝতে ওই মানুষটার কষ্ট হয়নি। পান্ডুর হাসি দিয়ে বলছিল, আপনার হাতটা ধরে থাকলে আমার মরতে ভয় করবে না। ভাবুন কী হাস্যকর কথা! ট্রাস্ট মী, মানুষটা বিনা যন্ত্রণায় মারা গেল। তার বিশ্বাস তাকে নিয়ে খেলেছে, তার মৃত্যু যন্ত্রণা কমিয়ে দিয়েছে! এখানে আসলে আমার কোন ভূমিকাই নাই।
আসলে ভাল মানুষদের… কোন প্রয়োজনই হয় না। কারণ, এই প্রকৃতির, প্রকৃতির সন্তানদের তাকে বড়ো প্রয়োজন। আপনি তো এমনিতেই প্রকৃতির জন্য মমতায় মাখামাখি হয়ে আছেন। আপনার আলাদা করে ক্রাচের প্রয়োজন আছে কী, বাডি?